ফের Lockdown হবে সারা দেশে? সরকার কী ভাবছে, জানালেন Nirmala Sitharaman

ফের Lockdown হবে সারা দেশে? সরকার কী ভাবছে, জানালেন Nirmala Sitharaman

গত বছর দেশজুডে লকডাউনের জেরে সাধারণ মানুষর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দেশের আর্থিক অবস্থাও শোচনীয় হয়েছে।

গত বছর দেশজুডে লকডাউনের জেরে সাধারণ মানুষর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দেশের আর্থিক অবস্থাও শোচনীয় হয়েছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    ফের করোনার প্রকোপ বাড়ছে গোটা দেশে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যের সরকার সংক্রমণের হার রোধে লকডাউনের পথে হাঁটছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে, আরও একবার কি দেশজুড়ে লকডাউন হতে পারে! দেশজুড়ে লকডাউনের ব্যাপারে সরকার কী ভাবছে! কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এদিন জানালেন, সরকারের দেশজুড়ে লকডাউনের কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে ছোট ছোট কনটেনমেন্ট জোন করে লকডাউনের সম্ভাবনা রয়েছে। গত ১২ দিনে সংক্রমণের হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে আরও একবার দেশজুড়ে লকডাউনের সম্ভাবনা উস্কে গিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। গত বছর দেশজুডে লকডাউনের জেরে সাধারণ মানুষর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দেশের আর্থিক অবস্থাও শোচনীয় হয়েছে।

    ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান মাইক্রো অ্যান্ড স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজসের সভাপতি অনিমেশ সাক্সেনা জানিয়েছেন, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সবরকম পরিস্থিতির জন্য তাঁদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। আরও একবার দেশজুড়ে করোনার বাড়াবাড়ি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহ প্রতিটি রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রক্ষা করছেন। প্রতিটি রাজ্যে করোনা পরিস্থতির উপর নজর রাখছে কেন্দ্র। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি রাজ্যকে সবরকম সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত কেন্দ্র। অক্সিজেন সরবরাহ, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের জোগান নিয়েও কেন্দ্র সবরকম সহায়তা করতে প্রস্তুত।

    গত সপ্তাহে নির্মলা সীতারমন জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থার মাধ্যমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়া যেতে পারে। একইসঙ্গে টেস্ট, ট্র্যাকিং, টিকাকরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। এদিকে সরকারের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগের ভাইস-চেয়ারম্যান রাজীব কুমার জানিয়েছিলেন, আরও একবার দেশের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে কেন্দ্রের তরফে আর্থিক প্যাকেজ প্রদানের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হতে পারে। এর আগে ২০২০ সালে ২০.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। করোনা লকডাউন পর্ব কাটিয়ে সবেমাত্র উন্নতির পথ ধরেছে ভারতের অর্থনীতি। তবে এরই মধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশজুড়ে। ফলে আরও একবার ভারতীয় অর্থনীতি বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    Published by:Suman Majumder
    First published:
    0