হোম /খবর /দেশ /
নেই ডিন, 'অচলাবস্থা' বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও কলা বিভাগে

নেই ডিন, 'অচলাবস্থা' বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও কলা বিভাগে

অভিযোগ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও কলা এই দুটি বিভাগে ডিন না থাকায় কোনও কাজকর্মই প্রায় হচ্ছে না।  এক দুদিন নয়, গত ৯ মাস ধরে চলছে এই সমস্যা। এমনকি, এর জেরে বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রীর গবেষণা সংক্রান্ত কাজও আটকে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

শরদিন্দু ঘোষ, বর্ধমান: ডিন নেই। সম্পূর্ণ থমকে কাজকর্ম। প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।

অভিযোগ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও কলা এই দুটি বিভাগে ডিন না থাকায় কোনও কাজকর্মই প্রায় হচ্ছে না।  এক দুদিন নয়, গত ৯ মাস ধরে চলছে এই সমস্যা। এমনকি, এর জেরে বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রীর গবেষণা সংক্রান্ত কাজও আটকে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিন না থাকায় ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল বা ন্যাক-এর মূল্যায়নের কাজও করতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালের রেজিস্ট্রার সুজিত চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, "ডিন না থাকায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাজ আমরা শুরু করেছি। কিছুদিনের মধ্যে ডিন নিয়োগ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"

সূত্রের খবর, ডিন না থাকায় বহু গবেষণাপত্র এখনও বিশ্ববিদ্যালয়েই জমা পড়ে রয়েছে। অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার পরেও প্রয়োজনীয় শংসাপত্র পাচ্ছেন না। আর তার ফলে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন গবেষণারত ছাত্রছাত্রীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিন না থাকায় বোর্ড অব রিসার্চ স্টাডিজের বৈঠকও হচ্ছে না। এতে ডিগ্রি পেতে চূড়ান্ত সমস্যায় পড়ছেন গবেষকেরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি বিভাগেই ডিন নিয়োগের জন্যে মার্চ মাসে উচ্চশিক্ষা দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সার্চ কমিটিও তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আচার্য তথা রাজ্যপালের প্রতিনিধি হিসেবে রাজভবন থেকে কোনও নাম পাঠানো না হওয়ার কারণেই এই দেরি। বর্তমানে সেই সমস্যা মেটায় কমিটি তৈরি করে শুরু হয়েছে কাজ।

তবে এই সার্চ কমিটি নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক বলেন, "প্রশ্ন উঠেছে, ডিন নিযুক্ত করার জন্য সার্চ কমিটিতে যাঁদের বসানো হয়েছে, তাঁদেরই নিয়োগই এখন আদালতে আতস কাচের নীচে। ফলে তাঁরা, যে দুজনকে ডিন নিয়োগ করবেন, তাদের নিয়োগ কী ভাবে বৈধ হবে তা নিয়েও সংশয় থাকছে। পরে যদি এই বিষয়টি আবারও কেউ আদালতের দ্বারস্থ হন, সে ক্ষেত্রেও নতুন করে জটিলতা তৈরি হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ মার্চ দুই বিভাগের ডিনের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়। তারপর থেকে সেই পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। গবেষকদের একাংশের অভিযোগ, ডিন না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে থাকছে গবেষণাপত্র। এর ফলে চরম সমস্যার মধ্যে পড়ছেন তাঁরা।

Published by:Satabdi Adhikary
First published:

Tags: Burdwan University