corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘বেড নেই, বাড়ি গিয়ে ভাল করে হাত ধোও’, ভর্তি না নিয়ে ১০ বছরের করোনা আক্রান্তকে পরামর্শ হাসপাতালের

‘বেড নেই, বাড়ি গিয়ে ভাল করে হাত ধোও’, ভর্তি না নিয়ে ১০ বছরের করোনা আক্রান্তকে পরামর্শ হাসপাতালের

পরে এই ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে পুলিশ ছেলেটিকে এনে কাশ্মীর ইনস্টিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করে ৷ এই হাসপাতাল থেকেই দু’দিন আগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল জামালকে ৷

  • Share this:

#শ্রীনগর: হাসপাতালে ভর্তি করে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার বদলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১০ বছরের কিশোরকে পরামর্শ দেওয়া হল বাড়ি ফিরে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার ৷ একটা নয়, চার-চারটে হাসপাতাল বাবার হাত ধরে ঘুরেই জায়গা মেনেনি অসুস্থ খুদের ৷ চিকিৎসার বদলে মিলেছে ডাক্তারদেরে থেকে মিলেছে ভাল করে হাত ধোওয়ার পরামর্শ ৷ এমনই ঘটনা ঘটেছে শ্রীনগরে ৷ ইদগার বাসিন্দা বছর দশেকের করোনা আক্রান্ত কিশোরের বাবা জানিয়েছেন এমনই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা ৷

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া কেন্দ্র ৷ দেশের প্রতিটি কোনায় চলছে সচেতনতা প্রসার ৷ রোগ সম্পর্কে সন্দিহান হলেই হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলা হচ্ছে বারবার ৷ তাতেও শ্রীনগরের এই চিত্র রূঢ় বাস্তবের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় ৷ ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, ২৮ মার্চ ৷ sইদগার বাসিন্দা জামাল (নাম পরিবর্তিত) কয়েকদিন আগেই এক ধর্মযাজকের সংস্পর্শে আসে ৷ জামালের বাবার অনুমান, ১৮ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে ওই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েই ছেলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৷ কয়েকদিন আগে জানা যায়, ওই ধর্মপ্রচারক কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে ৷ ততদিনে জামালের শরীরেও সংক্রমণের লক্ষণ ফুটে ওঠায় আর দেরি করেননি তাঁর বাবা ৷ সোজা ছেলের হাত ধরে হাজির হয়েছিলেন হাসপাতালে ৷ কিন্তু বেড না থাকার অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেয় চার চারটি হাসপাতাল ৷ ‘জানেন হাত জোড় করে সবাইকে অনুরোধ করেছিলাম আমার ছেলেটাকে যেন ভর্তি নেয় ৷ ডাক্তারবাবুরা ফিরিয়ে দেন আমাকে, উল্টে বলেন বাড়ি গিয়ে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে ৷’ লকডাউনের মধ্যেই অনেক কষ্টে গাড়ি যোগাড় করে এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতাল ঘুরেও সুরাহা হয়নি ৷

হাসপাতাল থেকে প্রত্যাখানের পর আরও দু’দিন বিনা চিকিৎসায় বাড়িতেই ছিল ওই কিশোর ৷ কিন্তু সচেতন পরিবারটি বাচ্চাটিকে সম্পূর্ণ আইসোলেশনে রেখেছিলেন বলে জানা গিয়েছে ৷ পরে এই ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে পুলিশ ছেলেটিকে এনে কাশ্মীর ইনস্টিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করে ৷ এই হাসপাতাল থেকেই দু’দিন আগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল জামালকে ৷

পুলিশি সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তির পর আশঙ্কা মতোই ছেলেটির কোভিড ১৯ টেস্ট পজিটিভ আসে ৷ কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয় জামালের বাকি পরিবারকে ৷ অন্যদিকে, চিকিৎসকদের চিকিৎসা না করে হাত দেওয়ার পরামর্শকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৷ সেখানকার মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডক্টর ফারুখ বলেন, সংক্রমণ হয়েছে সন্দেহ করে চিকিৎসকেরা সেইমতো পরামর্শ দিয়ছিলেন ৷

Published by: Elina Datta
First published: April 1, 2020, 5:30 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर