• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • NIRMALA SITHARAMAN ASSURES UNDER USED GOVERNMENT RESOURCES WILL BE USED FOR NATIONAL MONETISATION PIPELINE DMG

National Monetisation Pipeline: মালিকানা বদল হবে না, বেসরকারি হাতে সরকারি সম্পদ নিয়ে আশ্বাস নির্মলার

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ৷

  • Share this:

    যে সমস্ত সরকারি সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয় না, সেগুলিকে বেসরকারি পরিচালনায় দিয়ে আয়ের পথ খুলবে সরকার৷ তবে তার জন্য কোনও সম্পত্তির মালিকানা বদল হবে না৷ ন্যাশনাল মনিটাইজিং পাইপলাইন-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করে এ দিন এমনই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ৷

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, 'যে সম্পদগুলির পূর্ণ মাত্রায় ব্যবহার বা সদ্ব্যবহার হয়নি, শুধুমাত্র সেগুলিকেই অর্থ সংস্থানের কাজে লাগানো হবে৷ বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই এই লক্ষ্যপূরণ করা হবে৷'

    অর্থমন্ত্রী অবশ্য দাবি করেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের পর সমস্ত সম্পদই সরকারকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে বেসরকারি অংশীদাররা৷ ন্যাশনাল মনিটাইজিং পাইপলাইন থেকে প্রাপ্ত অর্থ পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন সীতারমণ৷ তাঁর দাবি, অর্থনীতিকে আরও সচল করতে পারে এমন সম্পদকে খুঁজে বের করবে সরকারের এই উদ্যোগ৷

    নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত জানিয়েছেন, রেল, রাস্তা, বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রকে কাজে লাগিয়ে চার বছর ধরে ৬ লক্ষ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ কোন সম্পদগুলিকে এই কাজে লাগানো হবে, তা ইতিমধ্যে চিহ্নিতও হয়ে গিয়েছে৷

    জানা গিয়েছে, রাস্তা থেকে ১.৬ লক্ষ কোটি, রেল থেকে ১.৫ লক্ষ কোটি এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্র থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকা ঘরে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার৷ এছাড়াও বিমানবন্দরগুলি থেকে ২০,৮০০ কোটি, বন্দরগুলি থেকে ১৩ হাজার কোটি, টেলিকম ক্ষেত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি, বিভিন্ন সরকারি স্টেডিয়াম থেকে ১১,৫০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকারি- বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্ব অথবা পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্য ট্রাস্ট বা ইনভিট-এর মাধ্যমে৷ ২০২১ সালের বাজেট পেশ করার সময়ই ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইনের ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷ যদিও সরকারের এই আশ্বাসে ভরসা রাখতে পারছেন না বিরোধীরা৷ রেল, সড়কের মতো পরিকাঠামো আরও বেশি করে বেসরকারি হাতে তুলে দিতেই সরকার এই নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: