corona virus btn
corona virus btn
Loading

এবার বিজেপিতে পুরনো বনাম নতুনের দ্বন্দ্ব, পুরনোদের আত্মত্যাগের বার্তা নেতৃত্বের, বাড়ছে ক্ষোভ

এবার বিজেপিতে পুরনো বনাম নতুনের দ্বন্দ্ব, পুরনোদের আত্মত্যাগের বার্তা নেতৃত্বের, বাড়ছে ক্ষোভ
representative image
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নতুন-পুরনোর দ্বন্দ্বের কাঁটা এবার পদ্মে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আপাতত বিজেপিতে যোগদানের এই জোয়ারে কোনও ছাঁকনি ব্যবহার করা হবে না। অন্য দল থেকে যে সব জনপ্রতিনিধিরা আসছেন, তাঁরা মূলত টিকিটের আশাতেই আসছেন। ভোটে জিততে তাঁদের দরকার। প্রয়োজনে পুরনোদের আত্মত্যাগ করতে হবে।

বেনোজলের বান একসময়ে ভুগিয়েছে বামেদের। তৃণমূলেও বার বার কাঁটা হয়েছে নতুন-পুরোনর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আর এবার রাজ্য বিজেপির অন্দরেও আদি-নব্যর দ্বন্দ্ব। অবস্থা এমনই যে সোমবার রাতে বর্ধমানে বিজেপির আদি-নব্য দ্বন্দ্বে গুলিও চলেছে। এ বারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ভাল ফল করার পর থেকে অনেকেই পদ্মমুখী। তৃণমূল থেকে শুরু করে অন্য দলের জনপ্রতিনিধিরা রং বদলে গেরুয়া। এর মধ্যে আবার বেনোজল ঢুকছে না তো? কেন কোনও ছাকনি ব্যবহার করা হচ্ছে না? বিজেপির অন্দরে এই সব প্রশ্ন উঠছে। যদিও, রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের মতে, বেনোজল ঢুকলেও আপাতত জোয়ার রোখার কোনও চেষ্টাই করা হচ্ছে না। কারণ, বিজেপিতে যোগদানের এই জোয়ার খুব বেশি হলে আর মাস দুয়েক চলবে। জোয়ার চলে গেলে বন্যার পরে মাটি যেমন উর্বর হয়, রাজ্য বিজেপির পায়ের তলার জমিও তেমন উর্বর ও শক্ত হবে। তাই, এখনকার জোয়ারে কেউ কেউ ভেসে গেলেও, ক্ষতির চেয়ে দলের লাভই বেশি। বিধানসভা ভোটে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলে এটা বিজেপির কাছে অপরিহার্য।

লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন বীরভূমের লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। কিন্তু, তাঁর এই যোগদানের বিরোধিতায় সরব হন বিজেপিরই অনেকে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, যে মণিরুলের হাতে একসময় বিজেপির কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁকেই কেন দলে নেওয়া হল? শেষমেশ পিছু হঠতে হয় মণিরুলকে। মুকুলকেও বার্তা দিতে হয়, দলের নেতা-কর্মীদের আবেগে আঘাত করে কোনও কাজ করা হবে না। কিন্তু, তারপরেও যেভাবে প্রধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল থেকে অনেকে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, তাতে বিজেপির আদি কর্মীদের প্রশ্ন, তা হলে কি দলের সুদিনে তাঁরা ব্যাকফুটে?

বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব অবশ্য বুঝিয়ে দিচ্ছেন, অন্য দল থেকে যাঁরা আসছেন তাঁদের বেশিরভাগ চেয়ারের জন্যই আসছেন। আসন জিততে হলে তাঁদের প্রার্থী করতে হবে। তবে, দলীয় সংগঠন বা নীতি নির্ধারণে জায়গা দেওয়া হবে না। যাঁরা আগে থেকে বিজেপিতে আছেন তাঁদের প্রয়োজনে আত্মত্যাগ করতে হবে। দল বাড়লে সংগঠনের কাজ বাড়ে। পুরোনদের প্রয়োজনে সংগঠনের কাজে লাগানো হবে।

First published: June 19, 2019, 9:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर