ভারতে করোনা সংক্রমণের হার নিচের দিকে, টানা তিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা থাকল ত্রিশ হাজারের নিচে

ভারতে করোনা সংক্রমণের হার নিচের দিকে, টানা তিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা থাকল ত্রিশ হাজারের নিচে

ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ আক্রান্তের সংখ্যা দিনে ২০ হাজারে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে

ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ আক্রান্তের সংখ্যা দিনে ২০ হাজারে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে

  • Share this:

    #নিয়াদিল্লি: ভারতে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। মঙ্গলবারের হিসেবে, পর পর তিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা রইল ত্রিশ হাজারের মধ্যেই। গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি, দৈনিক এই সংখ্যা ত্রিশ হাজার ছুঁয়েছিল। প্রসঙ্গত, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তখনও দশ লক্ষ পেরোয়নি। তবে এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

    দৈনিক এই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের ভিতর বেঁধে রাখা সম্ভব হলে, ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ আক্রান্তের সংখ্যা দিনে ২০ হাজারে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই মনে করছেন আইআইটি কানপুরের প্রফেসর মনীন্দ্র অগরওয়াল। করোনা সংক্রমণ দেশে কতটা ছড়াতে পারে সে বিষয়ে একটি গাণিতিক মডেল তৈরির কাজে, একটি সরকার-নিযুক্ত কমিটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

    গত অক্টোবর মাসের শেষ দিকে এই মডেলটির মাধ্যমেই প্রথম অনুমান করা সম্ভব হয়েছিল যে ভারতে করোনা সংক্রমণ ইতিমধ্যেই শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে। এবার এই গ্রাফ নামতে শুরু করবে। অক্টোবরের মাঝামাঝি, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৮ হাজারের কাছাকাছি। তবে এরপর থেকেই, এই সংখ্যা নামতে শুরু করে এবং বেশ কিছুদিন এই দৈনিক অংক এসে দাঁড়ায় ৫০-৬০ হাজারের মধ্যে।

    প্রফেসর অগরওয়াল বলেছেন, “এটি শুধুই একটি গাণিতিক মডেল। ভবিষ্যতে করোনা পরিস্থিতি কি হতে চলেছে, তার ধারণা আমরা পাই বিভিন্ন রাজ্যগুলি থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে। তাই কাজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থেকেই যায়। তবে গত কয়েক মাসে আমাদের ধারণা সত্যি হয়েছে। এমনকি উৎসবের মরশুমে কিংবা বিহারে ভোটের সময় আমরা যে রকম বলেছিলাম, ঠিক সেভাবেই বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। আমাদের ধারণা ডিসেম্বরেও মিলে যাবে বলে আশা করছি।”

    অক্টোবর মাসে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় এই কমিটির তরফে এও বলা হয়েছিল যে ভারতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত থাকতে করোনার প্রভাব।

    অন্যদিকে ডিসেম্বরে করোনার সংক্রমণ কমবে, এ ব্যাপারে আশাবাদী নন ভাইরোলজিস্ট এবং ত্রিবেদী স্কুল অফ বায়োসায়েন্সের প্রধান শাহিদ জামিল। তিনি বলেন, “যদি একথা আমরা মেনেও নিই যে ভারতে সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে, করোনার প্রভাব কাটতে এখনও বেশ কিছুটা সময় লাগবে। সংক্রমণ যে হারে বেরেছে, সে তুলনায় কমার গতি হবে অনেক ধীর।”

    Published by:Antara Dey
    First published: