দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বয়স ৯০, কাজ খেয়েছে করোনা, এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ ভক্ত লড়ছে আগ্রার দাদুর জন্য

বয়স ৯০, কাজ খেয়েছে করোনা, এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ ভক্ত লড়ছে আগ্রার দাদুর জন্য
ক্রেতার অপেক্ষায় আগ্রার বড়া বিক্রেতা দাদু।

৯০ বছর বয়সি আগ্রার রাস্তার ধারের খাবার বিক্রেতা এখন নেটাগরিকদের সুবিচারের আশায় চোখ ভরা জল নিয়ে চেয়ে রয়েছেন।

  • Share this:

#আগ্রা: ওই তো দিন কয়েক আগের কথা। দিল্লির মালব্য নগরের 'বাবা কা ধাবার' মালিক আশি বছরের কান্তাপ্রসাদের চোখের জল দূর করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্ট। লকডাউনে থমকে যাওয়া ব্যবসা এক পোস্টেই চাঙ্গা হয়ে গিয়েছিল। ঠিক একই ভাবে এবার ভাইরাল আগ্রার 'বাবা কা ধাবা'। ৯০ বছর বয়সি আগ্রার রাস্তার ধারের খাবার বিক্রেতা এখন নেটাগরিকদের সুবিচারের আশায় চোখ ভরা জল নিয়ে চেয়ে রয়েছেন।

দিন কয়েক আগেই ইন্সটাগ্রামে ধনিষ্ঠা বলে এক গ্রাহক আগ্রার বিখ্যাত এক কাঞ্জিবড়ার দোকানের ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানান, এই দোকানদারের বয়স ৯০। চল্লিশ বছর ধরে তিনি বড়া বিক্রি করে চলেছেন আগ্রায়। লকডাউন আজ তাঁকে পথে বসিয়েছে।

View this post on Instagram

My kanji bada wale uncle 😁 He has been selling kanji badas for almost 40 years and as of today, he is 90 years old. Because of this pandemic he gets to earn only ₹250-₹300 in a day. His stall is in professors colony, Kamla nagar, Agra, near desire Bakery. I’ve been here earlier also and I hope you guys also come here, eat and help him as much as you can. You’ll find him here everyday, from 5:30pm. Also, if you know such places in Agra, DM me. I will try to meet and help them all and will tell everyone about them. All of us should help those in need. Start from your own area, your city and then see how it all changes and let’s try to highlight every story we are able to. #vocalforlocal #vocal #old #viral #supportlocal #foodvideo #viralvideos

A post shared by DHANISHTHA (@a_tastetour) on

ধানিষ্ঠার ইন্সটা অ্যাকাউন্ট থেকে ওই কাঞ্জিবড়াওয়ালার লোকেশান শেয়ার করা হয়। উনি সমস্ত ফলোয়ারকে এই বৃদ্ধকে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি লেখেন, "আমার কাঞ্জিবড়া বিক্রেতা কাকু। চল্লিশ বছর ধরে কাঞ্জিবড়া বেচছেন।এই করোনার দিনে তাঁর আয় ২৫০-৩০০ টাকায় নেমে এসেছে। এই আয়ে কিছুতেই তিনি সবটা সামাল দিতে পারছেন না। তার ঠিকানা কমলানগর প্রফেসার কলোনি। আমি আশা করি আপনারা এই কাকুর কাছে পৌঁছে যাবেন।খাবার খেয়ে দাম দেবেন তাঁকে।"

তিনি পোস্ট করার পরে অন্তত ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মানুষ পোস্টটি দেখছেন, হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। পোস্টটি। সোশ্যাল মিডিয়া ভাগ্য বদলে দিয়েছিল শিবালিক নগরের বৃদ্ধ দম্পতির। তার কান্নাভেজা আর্তির ভিডিও দেশ জুড়ে ভাইরাল হয়। বলাবলি শুরু হয় নেটিজেনরা এমন কাজও পারে। আর সেই ট্রেন্ডিং ভিডিও থেকে পাওয়া আশায় আজ সুদিনের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আগ্রার দাদু।

Published by: Arka Deb
First published: October 10, 2020, 11:54 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर