• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • NCPCR WROTE TO DM OF SOUTH WEST DELHI ASKING WHY CHILDREN ARE IN SAHEEN BAG IN THE TIME OF CORONA SPREAD AKD

দেশেজুড়ে করোনার থাবা, শাহিনবাগে এখনও কেন শিশুরা! পদক্ষেপ দাবি করল এনসিপিসিআর

এই ছবিটাই বারবার দেখা গিয়েছে শাহিনবাগে

শাহিনবাগে সিএএ বিরোধী আন্দোলন চলছে গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে। হাঁড় কাপানো শীতে ফেব্রুয়ারিতেই এক দুধের শিশুর মৃত্যু হয় সেখানে

  • Share this:

    #কলকাতা: নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ভারতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার বিকেল পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছে ১৫১ জনের শরীরে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যে কোনও জমায়েতই এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায়। কিন্তু এই তুমুল বিপদের দিনেও শাহিনবাগে অনড় সিএএ বিরোধী আন্দোলনের মেয়েরা। কিন্তু এই সংক্রমণের সময়ে কেন দুধের শিশুকেও সেখানে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা? এই প্রশ্নেই এবার সোচ্চার হল ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস

    'ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের তরফে এদিন দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির জেলাশাসককে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয়, শাহিনবাগে বিরোধীদের জমায়েতে শিশুদেরকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই মর্মে তাঁরা একাধিক অভিযোগ পেয়েছেন। এর ফলে রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের অ্যাডভাইসরি বা নির্দেশিকা লঙ্ঘিত হচ্ছে। এনসিপিসিআর-এর তরফে জানানো হয়েছে এই বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।

    দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে প্রতিদিন। দিল্লিতে এক করোনা আক্রান্তের মৃত্যুও হয়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দিল্লির স্কুল, কলেজ, সিনেমাহল সবই বন্ধ করা হয়েছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। সরকারের তরফে অ্যাডভাইসরি দিয়ে ৫০ জনের বেশি জমায়েত করতে না করা হয়েছে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা মানতে চাননি শাহিনহাগের প্রতিবাদীরা। তাঁরা ৩০-৩৫ জনের দল তৈরি করে বসেছেন ওই অঞ্চলে। আন্দোলনের জায়গায় এনেছেন হ্যান্ড স্যানেটাইজারও। আন্দোলনকারীদের অনেকেই আগের মতোই সঙ্গে করে আনছেন তাদের সন্তানদেরও। আন্দোলনকারীদের এই সক্রিয়তাকে শিশুর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবেই দেখছে এনসিপিসিআর।

    শাহিনবাগে সিএএ বিরোধী আন্দোলন চলছে গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে। হাঁড় কাপানো শীতে ফেব্রুয়ারিতেই এক দুধের শিশুর মৃত্যু হয় সেখানে। সুপ্রিম কোর্ট সে জন্য ভর্তসনাও করে প্রতিবাদীদের। প্রশ্ন করা হয়, 'দুধের শিশু কেন এই মঞ্চে, তারা তো নিজের যন্ত্রণার কথাও বলতে পারে না।'

    Published by:Arka Deb
    First published: