• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • NATIONAL CONVENTION PROPOSES AKHILESH YADAV NAME AS SP PRESIDENT

সপা থেকে বহিস্কার অমর সিং, দলের জাতীয় সভাপতি অখিলেশ যাদব

Photo: News18.com

নতুন বছরের শুরুতেই একেবারে সরগরম হয়ে উঠল সমাজবাদী পার্টির মঞ্চ ৷ উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে সপার রাষ্ট্রীয়

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #লখনউ: নতুন বছরের শুরুতেই একেবারে সরগরম হয়ে উঠল সমাজবাদী পার্টির মঞ্চ ৷ উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে সপার রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে রামগোপাল যাদব মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে সমাজবাদী পার্টির জাতীয় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করলেন ৷ আর অন্যদিকে পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হল অমর সিংকে ৷

    সপার জাতীয় সভাপতি হলেন অখিলেশ যাদব ৷ মুলায়মের বদলে অখিলেশের প্রতিই আস্থা দেখাচ্ছে দল ৷ এমনকী, রবিবার সকালেই মুলায়ম সিং যাদব চিঠি দিয়ে দলের বিধায়কদের জানিয়ে ছিলেন, এই সম্মলেন যাঁরা অংশ নেবেন, তাঁদের প্রতি কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে ছিলেন সপা সু্প্রিমো মুলায়ম সিং ৷ তবে রবিবার সকালে গোটা চিত্রটাই বদলে গেল ৷

    সম্মলনের মঞ্চ থেকে মুলায়ম সিং প্রসঙ্গে অখিলেশ জানালেন, ‘নেতাজি সবসময়ই আমরা বাবা৷ কিন্তু কিছু নেতা সপা সরকার গড়তে দিতে চায় না ৷ এই চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷ ’

    যাদবকুল নাটকে নয়া অঙ্ক। ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার উঠে যেতে লাগল ১৮ ঘণ্টা। আবার সমাজবাদী পার্টিতে ফিরলেন অখিলে। পুরনো সবপদেও বহাল হচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। নিজের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠকের মাঝেই মুলায়মের সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছন অখিলেশ।একান্তে প্রায় আধ ঘণ্টা কথা হয় বাবা-ছেলের। তারপরই অখিলেশের শাস্তি তোলার ঘোষণা করতে এগিয়ে দেওয়া হয় কাকা শিবপালকে। ছেলে তথা মুখ্যমন্ত্রীকে দল থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চয় না ভেবে নেননি নেতাজি। তা হলে ১৮ ঘণ্টার মধ্যেই তা থেকে কেন সরে আসতে হলতাঁকে? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, দলে অখিলেশের সমর্থন যে এতটা বেশি, তা আঁচ করতে পারেননি দুঁদে রাজনীতিক মুলায়ম। অখিলেশের ডাকা বৈঠকে হাজির হন তাঁর তালিকায় থাকা ২০৭ জন প্রার্থী ৷ ১১৩ জনেরও বেশি প্রার্থীকে হাজির করাতে পারেনি মুলায়ম-শিবপাল শিবির ৷ দলের শীর্ষ কমিটির ৭ সদস্যরাও অখিলেশের হয়ে সওয়াল করেন ৷ আরও একটি বড় ধাক্কা নাড়িয়ে দেয় মুলায়ম-শিবপাল শিবিরকে। বৈঠকে তাদের পছন্দের প্রার্থীরাই বৈঠকে এলেও জয়ের ব্যাপারে গ্যারান্টি দিতে পারেননি।

    সূত্রের খবর, আদরের টিপু দলে প্রভাব কতটা বাড়িয়েছে, তা তখনই বুঝে যান মুলায়ম। তার কিছুক্ষণ পরেই লোদি গার্ডেনে মুলায়মের বাসভবনে পৌঁছন অখিলেশ।

    বাবা-ছেলের সমঝোতায় স্থির হয়েছে :- কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হবে অখিলেশের সুপারিশ মেনেই ৭০ শতাংশ প্রার্থী প্রচার ও নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণের ভারও অখিলেশের হাতে কাকা শিবপালের সঙ্গে গণ্ডগোলেই বাবার সঙ্গে দুরত্ব বেড়েছিল অখিলেশের। মুলায়মের নির্দেশে ভবিষ্যতে ভাইপো টিপুর সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করতে হবে শিবপালকে। যাদব বংশের ক্ষমতার লড়াই কি আবারও অন্য মোড় নেওয়ার অপেক্ষা ?

    First published: