Narendra Modi on Covid: 'বিশ্বাসেই সিদ্ধি', করোনা মোকাবিলা-টিকাকরণে সরকারের 'সাফল্য' দাবি মোদির

নিজের 'সাফল্য' দাবি মোদির

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন মোদি (PM Modi Speech Today)। নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi on Covid) বলেন, 'করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে ভারতীয়দের লড়াই এখনও দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনেকেই আমাদের পরিবার-পরিজনকে হারিয়েছি। এই সমস্ত পরিবারকে আমি সমবেদনা জানাই। '

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতির কারণে লকডাউন ঘোষণাই হোক বা টিকা নিয়ে জরুরি বার্তা, জাতির উদ্দেশ্যে বারবার ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi on Covid)। দেশ যখন দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রবল দাপটের মধ্যে কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে, তখন ফের দেশের মানুষের জন্য বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বিকেল পাঁচটায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ (PM Modi Speech Today) দেন মোদি। আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি-

    ---করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে ভারতীয়দের লড়াই এখনও দাঁড়িয়ে আছে।আমরা অনেকেই আমাদের পরিবার-পরিজনকে হারিয়েছি। এই সমস্ত পরিবারকে আমি সমবেদনা জানাই।

    ---গত ১০০ বছরে এটাই সবথেকে বড় মহামারী। আধুনিক পৃথিবী এত বড় মহামারীর কথা অনুমান করতে পারেনি।কোভিড হাসপাতাল বানানো থেকে শুরু করে, আই সি ইউর বেড সংখ্যা বাড়ানো, ভেন্টিলেটর বানানো, টেস্টিং ল্যাব নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, দেশের সব মিলিয়ে একটি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে।

    ---এপ্রিল-মে তে ভারতে মেডিকেল অক্সিজেনের চাহিদা অকল্পনীয় হয়ে উঠেছিল। এই প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করা হয়েছে। নৌসেনা - একযোগে কাজ করেছে।

    ---আগে দেখা যেত বিদেশে টিকাকরণ শেষ হয়ে গেলেও ভারতে টিকাকরণ শুরু হত না। হেপাটাইটিস বি, স্মল পক্স-র কথা মনে করুন। ২০১৪ সালেই মিশন ইন্দ্রধনু প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতিতে টিকাকরণ শুরু করেছিলাম। পাঁচ বছরে ভ্যাক্সিনেশন ৬০% থেকে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। আমরা শিশুদের জন্য বহু নতুন টিকাকরণ শুরু করেছি।

    ---কোভিড যখন এলো সকলেই চিন্তা করেছিল এত বড় দেশ ভারত কিভাবে বাঁচবে। এক বছরের দুটি দেশই ভ্যাকসিন বাজারে এনেছি। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন ভারত পিছিয়ে নেই। দেশের ১০০ কোটির বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে গেছে। আমাদের এদেশে বলা হয় বিশ্বাসেই সিদ্ধি। আমাদের বিশ্বাস ছিল বিজ্ঞানীরা এই কাজটা করতে পারবেন। তাই গবেষণা চলাকালীনই আমরা সরবরাহের পরিকল্পনা শুরু করে দিই। টাস্কফোর্স গড়ে তুলি।

    ----দেশে সাতটি সংস্থা বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন তৈরি করছে। তিনটি সংস্থা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা বাচ্চাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেশে একটি নাজাল ভ্যাকসিন নিয়েও কথাবার্তা চলছে।

    Published by:Suman Biswas
    First published: