Narendra Modi: 'কুম্ভমেলা এখন শুধুই প্রতীকী হওয়া উচিত', অবশেষে করোনা রুখতে অনুরোধ মোদির

Narendra Modi: 'কুম্ভমেলা এখন শুধুই প্রতীকী হওয়া উচিত', অবশেষে করোনা রুখতে অনুরোধ মোদির

'কুম্ভমেলা এখন শুধুই প্রতীকী হওয়া উচিত', অবশেষে করোনা রুখতে অনুরোধ মোদির

কুম্ভমেলা ও করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে জুনা আখড়ার স্বামী অভদেশানন্দ গিরির সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নতুন করে চিন্তা বাড়িয়েছে। প্রতিদিন দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। আর এর মধ্য়েই বিশ্বের অন্যতম ধর্মীয় মিলনক্ষেত্র কুম্ভমেলার শাহী স্নানের চিত্র ধরা পড়ছে। মাস্ক ছাড়া হাজার হাজার সাধুদের স্নান করতে দেখা যাচ্ছে ছবিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মেলা সুপারস্প্রেডার হিসেবে কাজ করতে পারে। এবার কুম্ভমেলা ও করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে জুনা আখড়ার স্বামী অভদেশানন্দ গিরির সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    স্বামী অভদেশানন্দকে মোদি বলেছেন, এবার কুম্ভমেলা প্রতীকী হওয়া উচিত। টুইট করে বিষয়টি জানিয়েছেন মোদি। হিন্দিতে মোদি লিখেছেন, "জুনা আখড়ার স্বামী অভদেশানন্দ গিরিকে ফোন করেছিলাম আমি এবং সমস্ত সাধুজদের স্বাস্থ্যের কথা জিজ্ঞাসা করলাম। সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সাধুরাই সহযোগিতা করছেন যতটা সম্ভব।"

    আরও একটি টুইটে মোদি লিখেছেন, "আমি ওঁদের অনুরোধ করলাম যাতে এবার কুম্ভমেলাকে প্রতীকী বানানো হয়। কোভিডের বিরুদ্ধে আমরা যদি আমাদের লড়াই আরও শক্ত করতে চাই, তাহলে এটাই করতে হবে।"

    গত সোমবার এই কুম্ভমেলায় শাহী স্নানে নেমেছিসলেন হাজার হাজার সাধু। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতেই নিন্দার ঝড় শুরু হয়। জানা যাচ্ছে ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল বিকেল ৪টের মধ্যে অন্তত ১০৮৬ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বুধবার ফের শাহী স্নানে নামেন আরও অনেকে। সোমবার ৩০ লক্ষের বেশি পুণ্যার্থী গঙ্গাস্নানে নেমেছিলেন। প্রায় কারও মুখেই ছিল না মাস্ক। হরিদ্বার, দেহরাদুন, পাউরি, তেহরি সহ বিভিন্ন এলাকায় ৩৮৭জনের শরীরে ধরা পড়ে করোনা। এর পরে ৬৬,২০৩ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় মিলনক্ষেত্রে প্রতিবারই লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় হয়। প্রতিদিনই ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ মানুষের ভিড় হয়। গোটা এই উৎসব মিলিয়ে মোট ১ কোটি থেকে দেড় কোটি মানুষ অংশ নেন। আর তাই মাত্র দুদিনের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১০০০ জনের বেশি মানুষ।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: