রুখতেই হবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ! পরিস্থিতি এখনই সামলাতে পাঁচ পরিকল্পনা মোদির

নরেন্দ্র মোদি

রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে আজ এই বার্তাই দিলেন মোদি। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে তৈরি হতে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। জেলা প্রশাসন এই প্রয়োজনে এই মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করতে পারে বলে জানান মোদি।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনা সংক্রমণ বাড়ছে দ্রুত। তাই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে দেশের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার আগে সাবধান হতে হবে। অবিলম্বে রুখতে হবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে আজ এই বার্তাই দিলেন মোদি। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে তৈরি হতে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। জেলা প্রশাসন এই প্রয়োজনে এই মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করতে পারে বলে জানান মোদি।

    কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে এদিন মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পাঁচটি পরিকল্পনার কথা আলোচনা করেন মোদি। 'দাওয়াই ভি, কড়াই ভি স্লোগান' উচ্চারণ করে মোদি এদিন রাজ্যগুলিকে কোভিড টেস্ট ও টিকাকরণের পরিমাণ বাড়াতে বলেন। কোভিডের দ্বিতীয় স্রোত রুখতে মোদির পাঁচ পরিকল্পনার প্রথমেই রয়েছে, সবাইকে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    দ্বিতীয়ত করোনার RT-PCR টেস্ট বাড়াতে হবে এবং প্রয়োজনে, যে এলাকাগুলিতে সংক্রমণ বাড়ছে সেখানে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি দুই হাসপাতালেই বাড়াতে হবে টিকাকরণ। ভ্যাকসিন যাতে নষ্ট না হয় সেইদিকেও নজর দিতে হবে।

    গত কয়েক সপ্তাহে দেশের ৭০টির বেশি জেলায় কোভিড সংক্রমণের হার বেড়েছে ১৫০ শতাংশের বেশি। মোদি কার্যত সাবধান করেই বলেছেন এখনই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে সারা দেশে ফের দ্বিতীয় ঢেউ থাবা বসাতে পারে। কিন্তু মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায় সেদিকেও নজর দিতে বলেছেন তিনি।

    অন্যান্য দেশে করোনার একাধিক ঢেউ আছড়ে পড়েছে, যেখানে ভারত কোভিড নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটাই সফল বলে দাবি করেছেন মোদি। আর তাই দ্বিতীয় ঢেউ আসার আগেই তিনি সাবধান হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন।

    মহারাষ্ট্রে রোজ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলছেন, "আমাদের দেখতে হবে কেন এই এলাকাগুলিতে কম পরীক্ষা ও কম টিকাকরণ হচ্ছে। আমাদের আত্মবিশ্বাসের মাত্রা যেন ছাড়িয়ে না যায়। আমাদের সাফল্য যেন অবহেলায় না পরিণত হয়।"

    প্রতিদিন রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে কি না সেই দিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বেশ কিছু জায়গায় ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার ঘটনা সামনে আসছে। কেন এমন হচ্ছে সেই ব্যাপারে রাজ্যগুলিকে তদন্ত শুরু করতে বলেছেন মোদি। তিনি বলছেন, ১০ শতাংশের বেশি ভ্য়াকসিন নষ্ট হয়েছে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশে। উত্তরপ্রদেশেও বেশ কিছু ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার খবর এসেছে। আমরা ভ্যাকসিন নষ্ট করলে, বহু মানুষ তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: