মাস্কেও ঢাকা পড়ল না সোনার নথ, সালঙ্কারার কৌশলকে বাহবা নেটিজেনদের

শেষে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন এই আমন্ত্রিত৷ বিয়ের আসরে তিনি সালঙ্কারা৷ আবার সাজসজ্জার জন্য বিঘ্নিত হয়নি করোনাবিধিও৷ মাস্কের উপর দিয়েই ভারী সোনার নথ পরেছেন তিনি৷

শেষে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন এই আমন্ত্রিত৷ বিয়ের আসরে তিনি সালঙ্কারা৷ আবার সাজসজ্জার জন্য বিঘ্নিত হয়নি করোনাবিধিও৷ মাস্কের উপর দিয়েই ভারী সোনার নথ পরেছেন তিনি৷

  • Share this:

    #নৈনিতাল: শ্যাম রাখি না কুল? অতিমারির সময়ে কার্যত এরকমই অবস্থা বিয়েবাড়িতে আমন্ত্রিত সুন্দরীদের৷ শিয়রে করোনা, তাই মাস্ক ছাড়া বাড়র বাইরে পা রাখার উপায় নেই৷ আবার মাস্কের জন্য মাটি বিয়েবাড়ির সাজও৷ শেষে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন এই আমন্ত্রিত৷ বিয়ের আসরে তিনি সালঙ্কারা৷ আবার সাজসজ্জার জন্য বিঘ্নিত হয়নি করোনাবিধিও৷ মাস্কের উপর দিয়েই ভারী সোনার নথ পরেছেন তিনি৷ সঙ্গে রয়েছে সোনার অন্য গয়নাও৷

    সতর্কতা মেনে এই সুসজ্জিতার ছবি টুইটারে শেয়ার করেছেন আইপিএস আধিকারিক দীপাংশু কাবরা৷ তিনি এর নামকরণ করেছেন ‘ভারতীয় জুগাড়’৷ প্রসঙ্গত হিন্দিতে ‘জুগাড়’ শব্দের অর্থ হল কোনও সমস্যার চটজলদি মুশকিল আসান৷ সামাজিক মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয় হয়েছে এই সালঙ্কারার ছবি৷ ভেসে এসেছে নেটিজেনদের সুরসিক মন্তব্যও৷ অনেকেই বলেছেন, গয়না পরা গেলেও মাস্কের সঙ্গে লিপস্টিক নৈব নৈব চ৷ তাই ওষ্ঠরঞ্জনীর সঙ্গে আপস করতে হলেও মাস্কের জন্য গয়না কোনও অংশে কম পরেননি কবিতা যোশি৷ উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের ঘোড়াখালের এই বাসিন্দা তাঁর ভাগ্নি মৃত্তিকার বিয়েতে গিয়েছিলেন হলদওয়ানী৷ সেখানেই মুঠোফোনে ফ্রেমবন্দি হন তিনি৷ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিবাহিতাদের কাছে নথ খুব পবিত্র৷ তিনি চাননি সেই গয়না মাস্কের আড়ালে ঢাকা পড়ুক৷ তাই পিনের সাহায্যে লাগিয়েছিলেন মাস্কের সঙ্গে৷ আদরের ভাগ্নির বিয়েতে তাঁর সাজসজ্জা কম হোক, চাননি বড়মামি কবিতা৷ অগত্যা পিনবদ্ধ করেই সবদিক রক্ষা৷

    কবিতার উপস্থিত বুদ্ধির শরণাপন্ন হয়েছেন পরিবারের বাকি মহিলারাও৷ তাঁদেরও তিনি মাস্কের সঙ্গে নথ পরিয়ে দিয়েছেন৷ পাশাপাশি অজস্র নেটিজেনদেরও তারিফ পেয়েছেন কবিতা৷ জানিয়েছেন, অতিমারির সব বিধি মেনেই বিয়ের আসর বসেছিল৷ আমন্ত্রিত ছিলেন শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠরাই৷ তাঁকে দেখে মহিলারা আশাবাদী, এ বার হয়তো মাস্কের সঙ্গে লিপস্টিক পরার কোনও কৌশলও কেউ বার করে ফেলবেন৷ অতিমারির ধূসর পরিবেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুটা হলেও মন হালকা করার রসদ দিয়েছেন নৈনিতালের কবিতা৷ বলছেন নেটিজেনরা৷

    Arpita Roy Chowdhury

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: