• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • অজানা রোগের আতঙ্ক এলরুতে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৫০

অজানা রোগের আতঙ্ক এলরুতে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৫০

photo source collected

photo source collected

নাম না জানা অসুখ মানবদেহে সংক্রমণের কারণে রাতের মধ্যেই ২৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন এলরুতে। একজন মধ্যবয়সী মহিলার মৃত্যু ঘটেছে। সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে আজ দাঁড়িয়েছে ৫৫০ জন।

  • Share this:

    #এলুরু, অন্ধ্রপ্রদেশ: অজানা আতঙ্কে কাঁপছে অন্ধ্রপ্রদেশের পশ্চিম গোদাবরী জেলার এলুরু। নাম না জানা এক অসুখ মানব দেহে সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠেছে। কিছু দিন আগে খবর আসে এক রাতের মধ্যেই ২৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং একজন মধ্যবয়সী মহিলার মৃত্যু ঘটেছে। সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে আজ দাঁড়িয়েছে ৫৫০ জন। অন্ধ্রের সরকার নিউ দিল্লির এইমস এবং হায়দ্রাবাদের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশন অফ কেমিক্যাল টেকনোলজির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন যাতে তারা এই নতুন রোগ সম্পর্কে স্টাডি করেন। এইমস এবং আই.আই.সি.টি-এর বিশেষজ্ঞরা রোগীদের শারীরিক পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন অন্ধ্রতে। ৫ডিসেম্বর তাঁদের শরীরে কিছু হঠাৎই কম্পন শুরু হয়। বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, শরীরে অস্বস্তি এবং মৃগী রোগের লক্ষণ গুলি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল কিছু ক্ষণের জন্য। এ ভাবেই এক রাতের মধ্যে এলরু হাসপাতালে একে একে ভর্তি করতে হয় ২৯০ জনকে। মৃত্যু হয় ৪৫ বছরের এক মহিলার। এইমসের তরফে জানান হয়েছে যে, খাবারে থাকা অর্গানোক্লোরিন যা সাধারণত পাওয়া যায় সারের মধ্যে, তা এই রোগের কারণ হতে পারে। ৪৫ জন রোগীর রক্তে পাওয়া গিয়েছে লেড ও নিকেলের মতো ধাতব পদার্থ। আই.আই.সি.টি -এর পরীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে যে, তাঁরা প্রায় ২১ জন রোগীর ও প্রাণীর রক্তের স্যাম্পল জোগাড় করা হয়েছে। এ ছাড়াও তাঁরা ওখানকার জলকে স্যাম্পল হিসেবে সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু তার মধ্যে লেড বা নিকেল জাতীয় কোনও ধাতব পদার্থ পাওয়া যায়নি। বরং মিলেছে এন্ডোসালফান -এর মতো কীটনাশক এবং অন্যান্য সার। স্বাস্থ্য সচিব কাটামানেনি ভাস্করের কথা অনুযায়ী, এই অঞ্চলের খাবার জলে এই রোগ এর কোনও সংক্রমণ বা সূত্র পাওয়া যায়নি। তবে খাদ্যদ্রব্য পরীক্ষা করে দেখতে হবে। কিছু কীটনাশক ও সার এর ব্যবহার পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করে দিচ্ছেন সরকার। রিতু ভরসা কেন্দ্রগুলো থেকে একমাত্র বিক্রি হওয়া সার এবং কীটনাশক কেবল ব্যাবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কৃষ্ণ শ্রীনিভাস। তবে এখনও কোনও সঠিক তথ্য জানা যায়নি। খাদ্য বা জলের মধ্যে কীভাবে সার ও রাসায়নিক কীটনাশক এল তার হদিশ পাওয়ার জন্য সরকারের তরফে তদন্ত করা হচ্ছে। খাদ্য এবং জল ভাল করে পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে।

    Published by:Somosree Das
    First published: