অভিনব প্রতারণা ! টেস্ট ড্রাইভের নামে বাইক নিয়ে পগার পার হলেন ক্রেতা

অভিনব প্রতারণা ! টেস্ট ড্রাইভের নামে বাইক নিয়ে পগার পার হলেন ক্রেতা

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র তাঁর দু' চাকার বাইক বেচতে চাইছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে সেটি চুরি হয়ে গেল

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র তাঁর দু' চাকার বাইক বেচতে চাইছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে সেটি চুরি হয়ে গেল

  • Share this:

    #মুম্বই: নেপোয় মারে দই! বাংলার প্রাচীন প্রবাদ। কিন্তু সামনের দিক থেকে যদি কেউ নেপোর হাতে দইয়ের হাঁড়ি তুলে দেয়, তা হলে কারই বা কী বলার থাকতে পারে!

    মুম্বইয়ের (Mumbai) ভাসাইয়ের বাসিন্দা এক ব্যক্তি এখন তাই শুধুই কপাল চাপড়াচ্ছেন। জন্মের মতো শিক্ষা হয়ে গিয়েছে তাঁর। কারণ তাঁর চোখের সামনে দিয়েই প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁর সাধের বাইক নিয়ে উধাও হয়েছেন আরেকজন! এ রকম দৃশ্য ছবিতে দেখা যায়। আর সেই দৃশ্য দেখে দর্শক হেসে কুটোপাটি হন। তবে পর্দা থেকে সেটা যে বাস্তবেও ঘটবে, এটা ঠিক বুঝতে পারা যায়নি। খবর বলছে যে জনৈক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র তাঁর দু' চাকার বাইক বেচতে চাইছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে সেটি চুরি হয়ে গেল।

    যে কোনও কারণেই হোক, নিজের বাইক বিক্রি করতে চাইছিলেন এই ছাত্র বলে জানা গিয়েছে। আজকের এই ডিজিটাল দুনিয়ায় বিক্রিবাটার নিয়মই হল কোনও একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে খবর ছড়িয়ে দেওয়া। ছাত্রটিও তাই করেছিলেন। কিন্তু তার পর যেটা ঘটল, সেটা অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হয়।

    অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বাইক (Bike) বিক্রি করার খবরটি দেওয়ার পর স্বভাবতই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা ছাত্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন। তাঁদের মধ্যে থেকেই দু'জন ভাসাই এসে পৌঁছয়। শনিবার তাঁরা ছাত্রটির কাছে বাইকের একটি টেস্ট ড্রাইভ (Trest Drive) দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ যে কোনও জিনিস কেনার সময়ে, বিশেষ করে যদি সেটা ব্যবহার করা জিনিস হয় তা হলে যাচিয়ে নেওয়াটাই স্বাভাবিক! বাইক কেনার ক্ষেত্রে সেটা চালিয়ে দেখে নেওয়াও খুব স্বাভাবিক। তাই ছাত্রটি কিছুই বুঝতে না পেরে ওই ব্যক্তির হাতে বাইকের চাবি তুলে দেন। চাবি নেওয়ার পরেই তাঁরা ওই ছাত্রটির চোখের সামনে দিয়েই টেস্ট ড্রাইভ করছি বলে বাইক চালিয়ে হাওয়া হয়ে যায়। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও যখন তাঁরা ফিরে এলেন না, তখন বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ছাত্রটি বুঝতে পারেন যে তাঁকে ঠকানো হয়েছে।

    ছাত্রটি তাঁর অভিযোগ থানায় জানিয়েছেন। পুলিশও (Police) একটি বাইক চুরির কেস হিসেবে এটিকে দেখছে। চোর ধরার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের সাহায্য নিচ্ছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে!

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: