• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • MUMBAI COUPLE ARRESTED FOR DRUG TRAFFICKING IN QATAR DURING HONEYMOON ACQUITTED SR

Drug Trafficking: কাতারে হনিমুনে গিয়ে ড্রাগ পাচার করল মুম্বইয়ের দম্পতি! ১০ বছর কাটবে জেলে

কাতারে হনিমুনে গিয়ে ড্রাগ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দম্পতি ।

১০ বছরের জেল হয় তাদের । জেলে থাকা অবস্থাতেই এক কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছে আনিবা ।

  • Share this:

    #কাতার: ‘রথ দেখা আর কলা বেচা’ দুই কাজই একসঙ্গে করার ইচ্ছা ছিল তাদের । হনিমুনের পাশাপাশি ড্রাগ পাচার করে কিছু উপরি পাওনা করতে চেয়েছিল মুম্বইয়ের এই দম্পতি । কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদ্র সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি । আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীদের জালে ধরা পড়ে তারা । কাতারে ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছিল ওই দম্পতিকে ।

    ঘটনাটি ২০১৯ সালের । মুম্বইয়ের বাসিন্দা আনিবা এবং শারিক কুরেশি তাদের দ্বিতীয় হনিমুন সারতে উড়ে গিয়েছিল কাতারে । দোহা বিমানবন্দরে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৪.১ কেজি নিষিদ্ধ মাদক ‘হাসিশ’। পুলিশের কাছে তারা বলে, এ বিষয়ে কিছুই জানত না তারা । এক আত্মীয়া তাদের এই প্যাকেটটি দিয়ে, এক বন্ধুর কাছে পৌঁছে দিতে বলেছেন, বলে পুলিশকে জানায় তারা । তবে তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি আদালত । ১০ বছরের জেল হয় তাদের । জেলে থাকা অবস্থাতেই এক কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছে আনিবা । ২ বছর কাতারের জেলে কাটিয়ে অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছে এই দম্পতি । খুব শীঘ্রই দেশে ফিরবেন তারা ।

    শারিক এবং আনিবার পরিবারের তরফে বারবার তাদের মুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছিল । ২০১৯-এর সেপ্টেম্বরে আনিবার বাবা এনসিবি-র ডেরেক্টর জেনারেল রাকেশ আস্থানাকে এক চিঠিতে অভিযোগ জানান, শারিকের এক আত্মীয়া, তাবাস্যুম রিয়াজ কুরেশি এবং তার এক সহকারী নিজাম কর, দু’জনে পরিকল্পনা করে এই চক্রান্ত করেছে তাঁদের মেয়ের বিরুদ্ধে ।

    শারিক এবং আনিবা কাতারের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় তাবাস্যুম একটি ব্যাগ তাদের হাতে দিযেছিল । ২০১৯-এর ৫ জুলাই বেঙ্গালুরু ছাড়ে শারিক ও আনিবা । সে সময় তাবাস্যুমের সহকারী আরও একটি ব্যাগটি তাদের দেয়। এতে মনে সন্দেহ হওয়ায় তাবাস্যুমকে ফোন করে ব্যাগের ব্যাপারে জানতেও চায় শারিক । তাবাস্যুম তাকে বলে, ব্যাগে কিছু গুটকা ও জর্দা রয়েছে । কাতারে এগুলি খুবই দামি, সে কারণে এ গুলি বন্ধুর জন্য পাঠাচ্ছে সে ।

    আনিবার বাবা শাকিল আহমেদ কুরেশির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে এনসিবি । তদন্তে নেমে নিজাম ও তাবাস্যুমকে জেরা করছে এনসিবি-র আধিকারিকরা । দেখা গিয়েছে, বিরাট বড় একটি ড্রাগ পাচারের জাল বিছিয়ে রেখেছে এই দুই অভিযুক্ত ।

    Published by:Simli Raha
    First published: