• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • MP COUPLE DEPLOYS 4 GUARDS 6 DOGS TO PROTECT WORLDS COSTLIEST MANGO SR

Costliest Mango: পৃথিবীর সবচেয়ে দামী আম তৈরি হচ্ছে দেশেই, প্রতি কেজির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার!

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি এই আমের চাষ হচ্ছে মধ্যপ্রদেশে ।

দু’টি আম গাছকে রক্ষা করতে বাধ্য হয়েই ৪ জন রক্ষী ও ৬টি পাহারাদার কুকুর নিয়োগ করতে হয়েছে ওই দম্পতিকে ।

  • Share this:

    লাখ#মধ্যপ্রদেশ: ফলের রাজ আম, সে তো কথাতেই আছে । বৈশাখ-জৈষ্ঠ’র এই প্যাচপ্যাচে গরমের সঙ্গে আমের মাতাল করা গন্ধ কেমন যেন মিলেমিশে রয়েছে । সবুজ চকচকে, ঈষৎ লম্বাটে ফলটির ভিতরটা রসে সিক্ত । টকটকে কমলা আভা আর মিষ্টি মধুর স্বাদে পাগল করে তোলে তার গুণমুগ্ধ ভক্তদের । তাই আমাদের জাতীয় ফল’কে অবজ্ঞা করার দুঃসাহস করাও নেই । গোটা গরমকালটাই সর্বঘটে কাঁঠালি কলার মতো বিরাজমান থাকেন ইনি । হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি, মধু কুলকুলি, গোলাপখাস, বোম্বাই.... হাজার রকমের তার নাম । সকলেই নিজেদের রূপে-গুণে অদ্বিতীয় ।

    তবে মিয়াজাকি আমের নামটা অতটাও পরিচিত নয় আমাদের দেশে । শুধু নাম নয়, রঙে, বর্ণে, স্বাদে, মূল্যে, সবেতেই সে অনন্যা । সম্প্রতি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি এই আমের চাষ হচ্ছে মধ্যপ্রদেশে । রঙ তার উজ্জ্বল বেগুনি । দাম প্রতি কেজি ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা । মধ্যপ্রদেশের এক দম্পতি এই আমের চাষ শুরু করেছেন গত বছর থেকে । রানি ও সঙ্কল্প পরিহার তাঁদের বাগানে দু’টি মিয়াজাকি আমের গাছ লাগিয়েছিলেন । কিন্তু তাঁদের কোনও ধারণাই ছিল না, এ রকম বিরল রুবি রঙের আম ধরবে তাতে । পরে তাঁরা জানতে পারেন, এই আমের প্রজাতি জাপান থেকে এসেছে ।

    আন্তর্জাতিক বাজারে এই আমের দাম প্রচুর । তার মূল কারণ হল এই পুষ্টি গুণ । প্রচুর পরিামণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এতে । রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন এবং ফোলিক অ্যাসিড । তবে এই আমের গাছ দু’টিকে রক্ষা করতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছেন ওই দম্পতি । কারণ এই আমের আকাশ ছোঁয়া মূল্য সম্বন্ধে গ্রামবাসীরা অবগত হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে গাছের ফল, ডাল চুরির চেষ্টা । ফলে বাধঅয হয়েই সেই আমকে রক্ষা করতে বাধ্য হয়েই ৪ জন রক্ষী ও ৬টি পাহারাদার কুকুর নিয়োগ করতে হয়েছে ওই দম্পতিকে ।

    ওই দম্পতির নিজস্ব নার্সারি আছে । বাগান করতে তাঁরা ভালবাসেন । কয়েক বছর আগে চেন্নাই থেকে কিছু গাছে চারা কিনতে যাওয়ার পথে এক ভদ্রলোকের থেকে এই গাছের চারা পেয়েছিলেন তাঁরা । ওই ব্যক্তি সে সময় সঙ্কল্পকে বলেছিলেন, গাছ দু’টিকে নিজের সন্তানের মতো করে বড় করে তুলতে । তখনও কিন্তু সঙ্কল্প জানতেন না এটি মিয়াজাকি প্রজাতির আম । সঙ্কল্প তাঁর মায়ের নাম অনুসারে আমটির নাম দিয়েছিলেন দামিনী । পড়ে তিনি পড়াশোনা করে জানতে পারেন ওই প্রজাতির আসল নাম মিয়াজাকি । ‘তবে ওি আম এখনও আমার কাছে দামিনীই হয়ে গিয়েছে’, বললেন সঙ্কল্প পরিহার । সঙ্গল্পের স্ত্রী রানি বললেন, ‘মুম্বইয়ের এক গহনা বিক্রেতা একটি আমের জন্য ২১ হাজার টাকা দিতে রাজি ছিলেন । কিন্তু আমরা বিক্রি করিনি । আমরা সিদ্দান্ত নিয়েছি এই আম আমরা কাউকে বিক্রি করব না । তা হলে সকলেই এই চারা তৈরি করে ফেলবেন ।’’

    জাপানের মিয়াজাকি শহরে এই আম পাওয়া যায় । সেই থেকেই তার নাম মিয়াজাকি । এক একটি আমের ওজন ৩৫০ গ্রাম । এবং সাধারণ আমের থেকে শর্করার পরিমাণ ১৫ শতাংশ বেশি । এপ্রিল থেকে অগস্ট মাসের মধ্যে এইআমের চাষ হয় ।

    Published by:Simli Raha
    First published: