• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • একই মঞ্চে বিয়ে করছেন মা-মেয়ে! বয়সকে ফুৎকারে উড়িয়ে মেয়ের সঙ্গে পাল্লা মায়ের

একই মঞ্চে বিয়ে করছেন মা-মেয়ে! বয়সকে ফুৎকারে উড়িয়ে মেয়ের সঙ্গে পাল্লা মায়ের

মা ও মেয়ে একই সঙ্গে বিয়ে করে গড়লেন নজির।

মা ও মেয়ে একই সঙ্গে বিয়ে করে গড়লেন নজির।

মা ও মেয়ে একই সঙ্গে বিয়ে করে গড়লেন নজির।

  • Share this:

#লখনউ: মা বা বাবার একাকিত্বের (Loneliness) কথা ভেবে বহু ছেলে-মেয়েকে তাঁদের সঙ্গী খুঁজে দিতে দেখা গিয়েছে। বয়সকে (Age) ফুৎকারে উড়িয়ে নিজেদের জীবনসঙ্গীর (Life Partner) সঙ্গে গাটছড়া বাঁধতে দেখা গিয়েছে। আসলে সমাজের নিয়ম, একঘেয়েমি ও কিছু মানুষের কে কী বলবে, সে সবকে পাত্তা না দিয়েও, নিজেদের জীবন বেছে নিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। তাই যে কোনও বয়সে বিয়ে আজ কোনও অদ্ভুত বিষয় নয়।

কিছু দিন আগেই এক যুবকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রীতিমতো হইচই পড়েছিল। মা মারা যাওয়ার পর একা হয়ে যাওয়া বাবার আবার বিয়ে দিয়েছিলেন ছেলে সায়ন পাল। যা নিয়ে সকলেই আপ্লুত হয়ে সায়নকে বাহবা জানাতে থাকেন। আর এ বার শুধু মায়ের বিয়েই (Wedding) নয়, একই মণ্ডপে মায়ের সঙ্গে নিজেও বিয়ে করলেন মেয়ে।

ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গোরখপুরের (Gorakhpur)। গণ-বিবাহ মঞ্চে (Mass Wedding Ceremony) মা ও মেয়ে একই সঙ্গে বিয়ে করে গড়লেন নজির। ওই গণ-বিবাহে বিয়ে হল এক মুসলমান যুগলেরও।

বেলি দেবি নামে ৫৩ বছর বয়সী ওই মহিলার স্বামী মারা গিয়েছেন ২৫ বছর আগে। তার পর থেকে ছেলেমেয়েদের মানুষ করা এবং সংসারের হাল টানতে একাই ছিলেন। তাঁকে সাহায্য করতেন তাঁর দেওর জগদীশ। বাচ্চাদের বড় করতে, বিয়ে দিতে সবেতেই আর্থিক ভাবে, মানসিক ভাবে পাশে ছিলেন তিনি। ৫৫ বছর বয়সী জগদীশ পেশায় কৃষক। তিনি অবিবাহিতই ছিলেন। পরে তাঁকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন বেলি দেবী। ঠিক করেন মেয়ের বিয়ের দিনই জগদীশের সঙ্গে বিয়েটা সেরে ফেলবেন।

এ দিকে বেলি দেবীর ছোট মেয়ে ২৭ বছরের ইন্দুরও বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। গণ-বিবাহের মঞ্চেই তাঁর বিয়ের দিনই বিয়ে করেন বেলি দেবীও। সমাজের চোখ-রাঙানি, সমালোচনার উর্ধ্বে খুঁজে পান ভালোবাসা, জীবনসঙ্গী। তাঁদের বিয়ের দিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনও।

পুরো বিষয়টি নিয়ে বেলি দেবী জানান, তাঁর দুই ছেলের ও দুই মেয়ের বিয়ে আগেই হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল ছোটজন। ওঁর বিয়ের দিনই তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তে খুশি ছেলে-মেয়েরাও।মায়ের বিয়েতে খুশি ইন্দুও। তিনি জানান, কাকা তাঁর, মায়ের এবং পরিবারের খেয়াল রেখেছেন এত দিন। তাঁদের বড় করে তুলেছেন। এটা ভেবে তাঁর ভাল লাগছে এই জুটি এ বার থেকে দম্পতির (Married Couple) মতো একে অপরের খেয়াল রাখতে পারবে!
Published by:Pooja Basu
First published: