ভারতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী, আজ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস

ভারতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী, আজ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস
ভারতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী। স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী। স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Share this:

    #আমদাবাদ: ভারতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী। স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই রাষ্ট্রনেতার আলিঙ্গনে সফরের সুরটা যেন প্রথমেই বাঁধা হয়ে গেল। আগামী দু-দিনে সব অর্থেই ঐতিহাসিক সম্পর্কে বাঁধা পড়তে চলেছে ভারত-জাপান। বুলেট ট্রেনের সূচনা থেকে কৌশলগত সম্পর্ক - এই সফরে অন্য উচ্চতায় পৌঁছতে চলেছে ভারত-জাপান সম্পর্ক।

    কুর্তি-পাঞ্জাবিতে আহমেদাবাদ শহর ঘুরলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী। জাপানের ফার্স্ট লেডিও বেছে নিলেন ভারতীয় পোষাক। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রোড- শোয়ে বারবারই শিনজো আবে বুঝিয়ে দিলেন, এবারের ভারত সফরটা একেবারেই অন্যরকম।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দুই রাষ্ট্রনেতার আলিঙ্গনে তৈরি হল বিরল মুহুর্ত।


    আহমেদাবাদ দিয়েই এবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শুরু। এদিন সরবমতী আশ্রম ছাড়াও শহরের প্রাণকেন্দ্রে সুপ্রাচীন মসজিদও পরিদর্শন করেন শিনজো আবে।

    জাপানী প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে বিখ্যাত আগাসিয়ে টেরেস রেস্তোঁরায় নৈশভোজ মেনুতে গুজরাতি ও জাপানের ২৩ টি পদ গুজরাতি ও জাপানি রান্নার মিশেলে নতুন পদও তৈরি করেছেন শেফেরা

    জাপানের আর্থিক সাহায্যে প্রথম বুলেট ট্রেন পেতে চলেছে ভারতবাসী। বৃহস্পতিবার সেই প্রকল্পের সূচনা করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

    বুলেট ট্রেন প্রকল্পের উদ্বোধন ৷ আহমেদাবাদ-মুম্বই বুলেট ট্রেন তৈরিতে খরচ ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি ৷ এর মধ্যে ৮৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে জাপান ৫০ বছরে তা শোধ দিতে পারবে ভারত ৷ মুম্বই-আহমেদাবাদ রুটে ছুটবে বুলেট ট্রেন ৷ রেলপথে থাকবে একাধিক টানেল ৷ দীর্ঘতম টানেলের দূরত্ব ২১ কিমি ৷ টানেলটির ৭ কিমি থাকবে সমুদ্রের নীচে ৷ মুম্বই-আহমেদাবাদ রুটে ১২টি স্টেশন হবে ৷ বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ৩২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা ৷ ২ ঘণ্টা ৭ মিনিটেই মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ ৷ মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ পৌঁছবে বুলেট ট্রেন  ৷

    ভারত-জাপান সামিটেও যোগ দেবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। দুজনের একান্ত বৈঠকেও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা

    সমুদ্রপথে নজরদারির প্রযুক্তি ভারতকে দিতে চলেছে জাপানজলপথে চিনকে রুখতে যৌথ নজরদারি ও মহড়ার সিদ্ধান্তজানুয়ারিতে ভারত মহাসাগরে বৃহত্তম নৌ-মহড়া করবে ভারত-জাপানঅ্যান্টি এয়ারক্রাফট ও সুপারসনিক জেটের প্রযুক্তি নিয়েও চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা

    চিনের সঙ্গে ডোকলাম বিতর্কে একমাত্র জাপানই প্রকাশ্যে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আগ্রাসনের অভিযোগে কমিউনিস্ট রাষ্ট্রটিকে তুলোধোনাও করে শিনজো অ্যাবে প্রশাসন। এশিয় ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা ও শক্তিসাম্য রক্ষায় একে অপরকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইছে দুই দেশ। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতেই এই সফর।

    First published: