• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • MISSION PAANI LEARNING TO SAVE MORE FROM WATER WARRIORS AND CONSERVATIONISTS ON WORLD WATER DAY TC RC

Mission Paani: জলবাহিত রোগগুলিকে নির্মূল করতে হবে, পানীয় জল স্বচ্ছ রাখতে নজর দিতে হবে এই বিষয়গুলিতে!

Mission Paani: জলবাহিত রোগগুলিকে নির্মূল করতে হবে, পানীয় জল স্বচ্ছ রাখতে নজর দিতে হবে এই বিষয়গুলিতে!

প্রতি বছর দেশের অগণিত মানুষ জলবাহিত রোগের শিকার হন। যার মোকাবিলা করা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

  • Share this:

    #Mission Paani: সম্প্রতি UNICEF-এর একটি সমীক্ষা রীতিমতো চমকে দিয়েছে। সমীক্ষার দাবি, দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশেরও কম মানুষ স্বচ্ছ পানীয় জল পান। এক্ষেত্রে, প্রতি বছর দেশের অগণিত মানুষ জলবাহিত রোগের শিকার হন। যার মোকাবিলা করা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর পিছনে অন্যতম কারণ হল জল দূষণ। এক্ষেত্রে পানীয় জলের উৎসগুলিকে স্বচ্ছ রাখতে হবে। আশেপাশের এলাকা স্বচ্ছ রাখতে হবে। জলবাহিত রোগ থেকে দূরে থাকতে নজর দিতে হবে এই বিষয়গুলিতে।

    জলে দূষণ বা সংক্রমণের কারণ:

    পানীয় জল বা কোনও জমা জলের মাধ্যমে খুব সহজেই সংক্রমিত হতে পারে জলবাহিত রোগগুলি। আসলে অপরিষ্কার জলের মধ্যে নানা ধরনের প্রোটোজোয়া, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্যারাসাইটস থাকে। এর জেরে কলেরা, টাইফয়েড, ডায়ারিয়া, হেপাডাইটিস A-সহ এই জাতীয় নানা ধরনের রোগ হয়। তবে জলে এই সংক্রমণের পিছনে একাধিক কারণও রয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে এখনও পানীয় জলের উৎসস্থানগুলি যথাযথ পরিষ্কার নয়। বহু জায়গায় জলের পাইপ, নলও পরিষ্কার থাকে না। এগুলির পাশাপাশি জলনিকাশী ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কারণ নোংরা ড্রেন, নর্দমা ও জমা জল থেকে একাধিক ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়।

    জলবাহিত রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী?

    প্রথমেই দেখে নিতে হবে, পানীয় জলের উৎস পরিষ্কার কি না! যদি কোনও রকম সন্দেহ থাকে, তাহলে জল ফুটিয়ে খাওয়া যেতে পারে। জল ফুটিয়ে খেলে অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যায়। জল না ফোটালে তাকে জীবাণুমুক্ত করার বিকল্প পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

    খাওয়ার আগে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

    যে পাত্রে জল রাখা হচ্ছে, সেটি নিয়মিত পরিষ্কার করে নিতে হবে। যাতে শ্যাওলা বা এই জাতীয় কিছু না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। জলের পাত্রের উপরের অংশ ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। যাতে বাইরে থেকে কিছু প্রবেশ না করে।

    আশপাশের জায়গাগুলিও পরিষ্কার রাখতে হবে।

    পানীয় জলের মূল উৎস হল ভূগর্ভস্থ জল ও নদী। এক্ষেত্রে পানীয় জলের প্রাকৃতিক উৎসগুলি স্বচ্ছ রাখতে হবে। সবার আগে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপরে নজর দিতে হবে। বুঝতে হবে কোন অভ্যাস বা কাজগুলি জল দূষণের পরিমাণ বাড়াতে পারে।

    মাথায় রাখতে হবে টয়লেট কিন্তু কোনও আবর্জনার স্তূপ নয়। এক্ষেত্রে নন-ডিগ্রেডেবল জিনিসপত্র, প্লাস্টিক বা এই জাতীয় জিনিস ফ্লাশ করা যাবে না। এগুলি মাটির পাশাপাশি জলদূষণ ঘটায়। নিকাশী ব্যবস্থা নষ্ট করে দেয়। জল জমে থাকারও অন্যতম কারণ এই ধরনের বর্জ্য পদার্থ।

    রং, তেল, রাসায়নিক পদার্থ বা এই ধরনের কোনও জিনিস ড্রেনের মধ্যে ফেলা যাবে না। কারণ এর মধ্যে টক্সিক উপাদান অর্থাৎ হাইপোক্লোরাইট, অ্যামোনিয়া, ফর্ম্যালডিহাইড সহ একাধিক যৌগ উপস্থিত থাকে। যা জল দূষণের অন্যতম কারণ।

    রাসায়নিক সার, কীটনাশক বা এই জাতীয় কোনও ওষুধপত্র ব্যবহারে যাবতীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। খুব প্রয়োজন না পড়লে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।

    উল্লেখ্য, জলের অপচয় প্রতিরোধে, জলের সমস্যা দূর করতে এবং জনস্বাস্থ্যের মান উন্নয়নে একটি কর্মসূচি নিয়েছে CNN News18 ও Harpic India। এই কর্মসূচির নাম মিশন পানি (Mission Paani)। যাতে প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা যায়, সবাই সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবনধারণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই কাঙ্ক্ষিত রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এই কর্মসূচি অভিযানকে। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আবেদন, এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হোক দেশবাসী। প্রত্যেকে এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে 'জল প্রতিজ্ঞা' নিক। সবার লক্ষ্য হবে একটাই, জলের অপচয় বন্ধ করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধির মানোন্নয়ন করতে হবে। বিশদে জানতে ক্লিক করুন www.news18.com/mission-paani লিঙ্কে।

    First published: