হোম /খবর /দেশ /
ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, দুষ্কৃতীরা লুটে নিল ৫০০০ টাকা

ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, দুষ্কৃতীরা লুটে নিল ৫০০০ টাকার সম্বল

একটি প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে দফতরের প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং স্বীকার করে নেন, করোনা অতিমারির জেরে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে নিজেদের রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন৷

একটি প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে দফতরের প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং স্বীকার করে নেন, করোনা অতিমারির জেরে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে নিজেদের রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন৷

দুঃস্থ সন্তান হারানো এই মানুষের কাছ থেকে তাঁর শেষ সম্বল লুঠ করতেও বাধেনি ...

  • Last Updated :
  • Share this:

#পটনা : লকডাউন আর তার জেরে একের পর এক পরিযায়ী শ্রমিকদের নিদারুণ দুঃখ দুর্দশার কাহিনী সামনে আসছে ৷ তারমধ্যে একটি ছবি গত কয়েকদিন ধরেই ভাইরাল হয়েছে ৷ যেখানে দেখা যাচ্ছে এক বাবা তাঁর সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিলাপ করছেন ৷ ভাগ্যহীণ এই ব্যক্তির নাম রামপুকার পন্ডিত ৷ দিল্লির নজফগড়ে মজুরের কাজ করতেন তিনি ৷

১০ মে তিনি খবর পেয়েছিলেন তাঁর এক বছরের ছেলের মৃত্যু হয়েছে ৷ এই মর্মান্তিক খবর পেয়ে লকডাউনের মধ্যেই হাঁটতে শুরু করেন তিনি ৷ এরপরেই নজফগড়  থেকে বেগুসরাইয়ের উদ্দেশ্যে হাঁটতে শুরু করেন তিনি ৷ কিন্তু রাস্তাতেও বিপদ তাঁর পিছু ছাড়েনি ৷ দিল্লিতে যমুনা নদির পাড়ে তাঁর জন্য একটা পুল আছে ৷ এরমধ্যে মারুতি গাড়িতে বসে থাকা কয়েকজন তাঁর কাছে থাকা ৫০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় ৷

তারপর সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তার পুলিশের কাছে সবটা জানান ৷ পুলিসরা একটি বাসে বসিয়ে তাঁকে সামনে এগিয়ে দিতে বলে দেয়৷ দিল্লির গাজীপুর সব্জি মার্কেট অবধি তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় ৷ সন্তানের মৃত্যু তারওপর সর্বস্ব খুইয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি ৷

এই বাজারের ফ্লাইওভারের কাছেই এক সমাজসেবিকা সলমা দিদি তাঁকে দেখতে পেয়ে তাঁর কাছে আসেন ৷ তাঁকে সব কথা বলতে তাঁর কাছে রেখে দেন রামপুকারকে ৷ তিনদিন অবধি তিনি ওই ব্যক্তির খাওয়াদাওয়ার সব ব্যবস্থা করা হয়৷ এরপর তাঁকে দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দেয় ৷ সেখানে তাঁর হাতে ৫৫০ টাকা দিয়ে দেয় ৷

বাড়ি পৌঁছনোর পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী যাদব তাঁকে এক লক্ষ টাকা -র আর্থিক সাহায্য করেছেন ৷

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Lockdown, Migrant Worker