Home /News /national /
JP Nadda- Sukanta Majumdar meeting: নাড্ডা-সুকান্ত একান্ত বৈঠক, রাজ্য বিজেপির টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত

JP Nadda- Sukanta Majumdar meeting: নাড্ডা-সুকান্ত একান্ত বৈঠক, রাজ্য বিজেপির টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত

রাজ্যের সাংগঠনিক পরিস্থিতি, দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সহ রাজ্য বিজেপির টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করতে সময় চেয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেই দাবি মেনেই সুকান্ত মজুমদার কে সময় দেন জেপি নাড্ডা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: হায়দ্রাবাদে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের আগে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলের রাজ্য সংগঠনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দলীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর রাজ্যের সাংগঠনিক পরিস্থিতি, দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সহ রাজ্য বিজেপির টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করতে সময় চেয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেই দাবি মেনেই সুকান্ত মজুমদারকে সময় দেন জেপি নাড্ডা।

আরও পড়ুন Tripura News: মানিক সাহাকে নিয়ে বিজেপির বিজয় মিছিল, কংগ্রেস কর্মীদের মনোবল বাড়াতে প্রতিনিধি দল

প্রসঙ্গত, আগামী ১ জুলাই হায়দ্রাবাদে দলের পদাধিকারীদের বৈঠক। তারপর ২ এবং ৩ জুলাই জাতীয় কর্মসমিটির বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রিপোর্ট পেশ হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তার আগে দলের সভাপতি সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ, সোমবার, রাতে জেপির বাড়িতে এই বৈঠক হয়।

আরও পড়ুন Maharashtra Political Crisis legal battle: সংখ্যা থাকলেও বিদ্রোহীদের বিধায়ক পদ বাতিল হবেই, উদ্ধবকে ভরসা দিয়ে দাবি আইনজীবীর

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে চলেছে বিজেপি। সেই প্রস্তুতি হিসেবে সোমবার কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে প্রস্তুতি বৈঠকে বসছে বিজেপি। রাজ্য স্তরের সমস্ত শীর্ষ নেতারা সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও দিল্লি যাওয়ার কারণে সেই বৈঠকে থাকতে পারছেন না সুকান্ত মজুমদার। ফলে তাঁর দিল্লি সফর বিশেষ ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছেন অনেকে। বঙ্গ সফরে এসে দল সম্পর্কে যা যা রিপোর্ট নাড্ডার কাছে এসেছে, তা নিয়ে সুকান্তর সঙ্গে কথা হতে পারে বলে একটা শিবিরের মত। শুধু তাই নয়, দিল্লিতে অমিত শাহর (Amit Shah) সঙ্গেও তাঁর কথা হয় কিনা, সেই বিষয়টিও নজরে রাখছেন অনেকে। গেরুয়া শিবিরের একাংশ বলছে, বিজেপির সংগঠন এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আর বেড়েছে পরস্পরের বিরুদ্ধে আকচা–আকচি। চরমে উঠেছে গোষ্ঠীকোন্দল। বঙ্গ–বিজেপি আদি–নব্যে আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কড়া নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

বঙ্গ–বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জেপি নড্ডা বলে গিয়েছিলেন, ‘‌মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে। কাজে লেগে থাকতে হবে। উপর থেকে কেউ এসে জিতিয়ে দেবে না।’‌

Published by:Pooja Basu
First published:

Tags: JP Nadda, Sukanta Majumder

পরবর্তী খবর