corona virus btn
corona virus btn
Loading

একটি আত্মহত্যার ঘটনা, যা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয় !

একটি আত্মহত্যার ঘটনা, যা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয় !

পরিসংখ্যান বলছে গোটা বিশ্বে প্রতিবছর ৮৫০,০০০ টি মৃত্যু হয় আত্মহত্যার কারণে ৷ শুধু তাই নয়, প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন৷ বর্তমান বিশ্বে আত্মহত্যা মানসিক অসুস্থতার মহামারীর মতো ৷ আত্মহত্যা গুরুতর সমস্যা এখন গোটা বিশ্বের কাছে ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: একটি আত্মহত্যার ঘটনা কি শুধু মাত্রই একটি ‘খবর’? একটি আত্মহত্যার ঘটনা কি শুধুই মুখরোচক সংবাদ পরিবেশনে আটকে থাকা ৷ যা কিনা বর্তমান সংবাদমাধ্যমের তা টিভি হোক, সংবাদপত্র হোক, কিংবা সিনেমা ৷ আত্মহত্যার ঘটনা বারে বারে যেভাবে সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নেয়, তা কখনও খবরের শিরোনামের বিস্ফোরণ, তো কখনও আত্মহত্যাকে নিয়ে রোমান্টিসিজম৷ কিন্তু সত্যিই কি আত্মহত্যার সংজ্ঞা আসলে এগুলো? একটা মানুষ কোন অবস্থায় গিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাকে গুরুত্ব না দিয়ে, শুধু ঘটনার উপরিভাগকেই সামনে নিয়ে আসা? সাধারণ অর্থে আত্মহত্যা হল জীবনকে শেষ করে দেওয়ার এক করুণ পদ্ধতি ৷ পরিসংখ্যান বলছে গোটা বিশ্বে প্রতিবছর ৮৫০,০০০ টি মৃত্যু হয় আত্মহত্যার কারণে ৷ শুধু তাই নয়, প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন৷ বর্তমান বিশ্বে আত্মহত্যা মানসিক অসুস্থতার মহামারীর মতো ৷ আত্মহত্যা গুরুতর সমস্যা এখন গোটা বিশ্বের কাছে ৷ পরিসংখ্যান বলছে, ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সের পুরুষ-মহিলারাই বেশি আত্মহননের পথ বেছে নেন ৷ সমাজবিদ্যার বিজ্ঞানীরা বলছেন, অনেক সময় এই আত্মহনন একেবারে না বুঝে হয়ে থাকে ৷ অনেক সময়ই সংক্রামক রোগের মতোও কাজ করে এই আত্মহনন ৷ অর্থাৎ কোনও বিশেষ মানুষের আত্মহত্যার ঘটনা, প্রভাব ফেলে অন্যের জীবনে ৷ এই সংক্রমনই সবচেয়ে ক্ষতিকারক বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা ৷ আর এখান থেকেই শুরু হয় বর্তমান সংবাদমাধম্যের ভূমিকা বা দায়িত্ব৷

এ ব্যাপারে বিদেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ মাধ্যম নিয়ে পড়াশুনো করানোর সময়, প্রথমেই মাথায় রাখা হয় ‘আত্মহনন’-এর খবর কীভাবে প্রকাশিত করা হবে তা নিয়ে ৷ প্রথমেই জানানো হয়, খবর প্রকাশ করার সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, কোনও বিশেষ আত্মহত্যার ঘটনা যেন সেই বয়সী মানুষের বা সম ক্লাসের মানুষের আচরণগত দিক থেকে এক না হয় ৷ শুধু তাই নয়, ঘটনার বিশ্লেষণের সঙ্গে সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে প্রকাশিত খবরে যেন আত্মহত্যার সঙ্গে জড়িত খারাপ দিকগুলোকেও তুলে ধরা হয় ৷ যাতে সচেতনতা প্রকাশ পায় ৷ এ বিষয়ে, বিবিসি-র তরফ থেকে ২০০৩ সালে বেশ কিছু গাইডলাইন তৈরি করা হয়--- ১) আত্মহত্যার ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ নয় ৷ শুধুমাত্র খবরের সত্যতাকেই তুলে ধরতে হবে ৷ ২) আত্মহত্যার খবর লেখার সময় অবশ্যই নির্দিষ্ট মানসিক রোগ বা অবসাদের কথা টেনে আনতে হবে ৷ সঙ্গে জানাতে হবে, এই অসুখের চিকিৎসা রয়েছে, আত্মহত্যা সমাধান নয় ৷ ৩) খবর প্রকাশের সময় হেল্পলাইনের উল্লেখ থাকতে হবে ৷ ৪) জনসাধারণকে অবশ্যই সচেতন করতে হবে ৷ ৫) আত্মঘাতী ব্যক্তির মৃতদেহের ফটো ও সুইসাইড নোট প্রকাশ করা যাবে না ৷ ৬) ব্যক্তি কীভাবে আত্মহত্যা করেছেন তা বিশদে লেখা যাবে না ৷ ৭) আত্মহননের ঘটনাকে কখনই অতিরঞ্জিত করা যাবে না ৷ ৮) ঘটনাকে কোনও রহস্যের মোড় দেওয়া অনুচিত ৷

(In a book titled, 'Suicidal Behaviour – Assessment of People at Risk', Dr Farah Kidwai wrote a chapter on 'media coverage of suicides on suicidal behaviour'.)

Disclaimer:Dr Farah Kidwai is scientist 'G' at the Defence Research and Development Organisation (DRDO). Views expressed are personal.
Note: This news piece may be triggering. If you or someone you know needs help, call any of these helplines: Aasra (Mumbai) 022-27546669, Sneha (Chennai) 044-24640050, Sumaitri (Delhi) 011-23389090, Cooj (Goa) 0832- 2252525, Jeevan (Jamshedpur) 065-76453841, Pratheeksha (Kochi) 048-42448830, Maithri (Kochi) 0484-2540530, Roshni (Hyderabad) 040-66202000, Lifeline 033-64643267 (Kolkata).
Published by: Akash Misra
First published: June 17, 2020, 7:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर