• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আতঙ্ক!‌ বাড়িতে ভোজসভায় আমন্ত্রিত ১৫০০, দু’‌দিন বাদে করোনা ধরা পড়ল আয়োজকের শরীরে

আতঙ্ক!‌ বাড়িতে ভোজসভায় আমন্ত্রিত ১৫০০, দু’‌দিন বাদে করোনা ধরা পড়ল আয়োজকের শরীরে

গত ১৭ ই মার্চ দেশে ফিরেছিলেন সুরেশ। তারপর ২০ মার্চ তিনি আয়োজন করেছিলেন এই ভোজসভার। সেখানে শুধু নিজের গ্রামের লোক নয়, আশেপাশের গ্রামের লোকেরাও এসেছিলেন।

গত ১৭ ই মার্চ দেশে ফিরেছিলেন সুরেশ। তারপর ২০ মার্চ তিনি আয়োজন করেছিলেন এই ভোজসভার। সেখানে শুধু নিজের গ্রামের লোক নয়, আশেপাশের গ্রামের লোকেরাও এসেছিলেন।

গত ১৭ ই মার্চ দেশে ফিরেছিলেন সুরেশ। তারপর ২০ মার্চ তিনি আয়োজন করেছিলেন এই ভোজসভার। সেখানে শুধু নিজের গ্রামের লোক নয়, আশেপাশের গ্রামের লোকেরাও এসেছিলেন।

  • Share this:

    #‌ভোপাল:‌ দুবাই থেকে মধ্যপ্রদেশ ফিরে মায়ের মৃত্যুর জন্য বিশাল শ্রাদ্ধের আয়োজন করেছিলেন তিনি। সেখানে এসেছিলেন প্রায় দেড় হাজার লোক। খাওয়া-দাওয়া হয়েছিল। আর সেই বিশাল আয়োজনের ঠিক কয়েক দিনের মাথায় মধ্যপ্রদেশের মোরেনার বাসিন্দা সুরেশ ও তার পরিবারের ১১ সদস্যের শরীরে করোনা ধরা পড়ল। অর্থাৎ, সুরেশ বিদেশ থেকে আসার সময় করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তাঁর থেকে তাঁর পরিবারের বাকি ১১ সদস্যের এই রোগ হয়েছে। কিন্তু তিনি যে বিশাল ভোজের আয়োজন করেছিলেন সেখানে তো এসেছিলেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ!‌ এই ১১ জনের থেকে সেই দেড় হাজার মানুষের কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, সেটাই এখন ভয়ানক চিন্তায় ফেলেছে মধ্যপ্রদেশের মোরেনার পুলিশ প্রশাসনকে।

    গত ১৭ ই মার্চ দেশে ফিরেছিলেন সুরেশ। তারপর ২০ মার্চ তিনি আয়োজন করেছিলেন এই ভোজসভার। সেখানে শুধু নিজের গ্রামের লোক নয়, আশেপাশের গ্রামের লোকেরাও এসেছিলেন। তখন কিছুই বুঝতে পারেননি তিনি। এরপর ২৫ মার্চ নাগাদ ধীরে ধীরে শরীর অসুস্থ হতে থাকে তাঁর। করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলেও তিনি প্রায় চার দিন বাদে হাসপাতলে গিয়েছিলেন। সেখানে বৃহস্পতিবার তাঁর করোনা ধরা পড়ে।

    তারপরেই প্রশাসন সুরেশের পরিবারের কাছের ২৩ সদস্যকে পরীক্ষা করে এবং সেখান থেকে আরো ১০ জনের করোনা ধরা পড়ে। মোরেনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আর সি বান্দিল জানিয়েছেন, ‘‌আমরা ২৩ জনের লালা পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলাম। যার ফল আমরা শুক্রবার দিন পেয়েছি। সেখানে দেখেছি ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জন মহিলা। এছাড়াও বাকি যাঁদের রোগ ধরা পড়েনি, তাঁদেরকে ১৪ দিনের হোম আইসোলেশন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অসুস্থ সকলকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে সুরেশ জানিয়েছেন, দুবাই থেকে ফেরার আগে বা অব্যবহিত পরে তাঁর রোগের কোন লক্ষনই ছিল না। মাত্র কদিন আগে তিনি এবং তার পরেই তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরেই লালা পরীক্ষায় সব ধরা পড়ে।

    এখনও পর্যন্ত দেশে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগায় আয়োজিত জমায়েতে গিয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তা ইতিমধ্যে জানিয়েছে প্রশাসন। আক্রান্তদের বেশিরভাগই রয়েছেন তামিলনাড়ুতে। সেই কারণে এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে দেশে করোন আক্রান্তের সংখ্যা।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: