Online Order: অনলাইন অর্ডারে আসল জিনিসের পরিবর্তে পার্লে-জি বিস্কুটের প্যাকেট এল, তবে ক্ষুব্ধ নন ক্রেতা!

অনলাইনে এল পার্লে জি।

করোনাভাইরাসের কালবেলায় (Coronavirus) অনলাইন অর্ডারেই ভরসা করে বেঁচে রয়েছেন বহু মানুষ। অতিমারির এমন ভয়ানক সময়ে বাড়ি থেকে না বেরিয়ে অনলাইনেই (Online Order) কাঁচা বাজার থেকে মুদির সরঞ্জাম আনছেন বহু অনেকে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাসের কালবেলায় (Coronavirus) অনলাইন অর্ডারেই (Online Order) ভরসা করে বেঁচে রয়েছেন বহু মানুষ। অতিমারির এমন ভয়ানক সময়ে বাড়ি থেকে না বেরিয়ে অনলাইনেই কাঁচা বাজার থেকে মুদির সরঞ্জাম আনছেন বহু অনেকে। তাছাড়া অনলাইনে খাবার আনিয়ে খাওয়া বা প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে আনা তো রয়েইছে। কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই এমন ঘরের দরজায় জিনিস পেয়ে যাওয়া খুবই উপকারের। এমনই এক ই-কমার্স ওয়েবসাইটে নিজের পছন্দের জিনিস অর্ডার করেছিলেন বিক্রম বুরাগোহেন নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু অনলাইন অর্ডারে তিনি পেলেন অন্য কিছু।

    অনলাইন সার্ভিসের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ভুল জিনিস ডেলিভারির খবর শিরোনামে এসেছে। এক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্রেতা এই ঘটনায় একেবারেই ক্ষুব্ধ নন। তিনি যা অর্ডার দিয়েছিলেন, তার বদলে তাঁর কাছে এসে পৌঁছেছে পার্লে-জি বিস্কুটের প্যাকেট। ফেসবুকে সেই পার্সেলের ছবি শেয়ার করেছেন বিক্রম। আর সেখানেই তিনি লিখেছেন, 'অ্যামাজন ইন্ডিয়ায় অর্ডার করে আপনি যখন তার বদলে পার্লে-জি বিস্কুট পান... হাহাহাহাহাহা। এবার তো চা বানাতে হবে।'

    ফেসবুকে এমন ছবি ও ক্যাপশন দেখতে পেয়ে বিক্রমের অনেক পরিচিতই তাঁকে কমেন্টে প্রশ্ন করেছেন, আসলে তিনি কী অর্ডার করেছিলেন? বিক্রম সেখানে জানিয়েছেন, তিনি একটি রিমোট কন্ট্রোল দেওয়া খেলনা গাড়ি অর্ডার করেছিলেন। তবে অ্যামাজন ইন্ডিয়া থেকে তাঁর কাছে এসে পৌঁছেছে বিস্কুটের প্যাকেট। তবে রাগ না করে, বিক্রমের ইচ্ছে চা বানিয়ে সেই বিস্কুট দিয়ে খেয়ে নেওয়া। সে কারণেই ক্যাপশনে চা তৈরির কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

    বিক্রমের পোস্টের কমেন্টে অনেকেই মজা করে লিখেছেন, ভাগ্য ভালো ইট আসেনি। অনেকেই আবার বলছেন, যাক বিকেলের জলখাবার চলে এসেছে। তবে অনলাইন অর্ডারের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা নতুন নয়, নতুন হল ক্রেতার সেই ঘটনায় পরিপ্রেক্ষিতে বহিঃপ্রকাশ। বিক্রম যে এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ না হয়ে বরং সহজ করে বিষয়টাকে দেখেছেন, সেটাই চমকে দিয়েছে নেটিজেনের একাংশকে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: