• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • MAN FROM CHHATTISGARH CREATES MUSIC BY SWINGING BAMBOO FLUTES VIDEO GOES VIRAL TC SPS

ফুঁ দেওয়ার দরকার নেই, হাওয়ায় ঘোরালেই বেজে ওঠে বাঁশি; না দেখলে বিশ্বাস হবে না ভাইরাল ভিডিও!

man from chhattisgarh creates music by swinging bamboo flutes video goes viral tc sps

সম্প্রতি মণিরাম এবং তাঁর নিজের হাতে তৈরি এই আশ্চর্য বাঁশির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছত্তিসগড়ের এই গ্রামজীবনের শিল্পকে সবার চোখের সামনে নতুন করে নিয়ে এসেছে এক কারিগরি সংস্থা, তাদের নাম পিপলস আর্কাইভ অফ রুরাল ইন্ডিয়া।

  • Share this:

#ছত্তিসগড়: বন যদি না থাকে? এক দিকে যখন সবাই তাঁর অপূর্ব কৃৎকৌশলে মজেছেন, তখনও তা তারিয়ে তারিয়ে উপলব্ধি করতে পারেননি ছত্তিসগড়ের নারায়ণপুরের মণিরাম মন্দাবি (Maniram Mandawi)। তাঁর প্রশ্ন কেবল একটাই- একে তো এই বিরল শিল্পকৃতীর কারিগর তেমন নেই দেশে, তার উপরে যদি এমন জাদু বাঁশি তৈরি করার উপকরণটুকুও না পাওয়া যায়, কী ভাবে শিল্প বেঁচে থাকবে বংশ পরম্পরায়?

সম্প্রতি মণিরাম এবং তাঁর নিজের হাতে তৈরি এই আশ্চর্য বাঁশির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছত্তিসগড়ের এই গ্রামজীবনের শিল্পকে সবার চোখের সামনে নতুন করে নিয়ে এসেছে এক কারিগরি সংস্থা, তাদের নাম পিপলস আর্কাইভ অফ রুরাল ইন্ডিয়া। তাদের Twitter ভিডিও থেকেই নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে এই আশ্চর্য দৃশ্য।

https://twitter.com/PARInetwork/status/1365152311593422850?s=20

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে একটা কারুকাজ করা বেশ লম্বা আর ছিপছিপে বাঁশি নিয়ে হাতে করে সেটা হাওয়ায় ঘোরাচ্ছেন মণিরাম! আর তাতেই সেই বাঁশি বাতাসের বুক চিরে, নিজের ভিতর থেকে জন্ম দিচ্ছে সুরের অনুরণন। যা দেখলে বাকরুদ্ধ হয়ে যেতে হয়। আমরা দেখছি, সেই বাঁশি একহাতে মাথার চার পাশে ঘোরাতে ঘোরাতে উঠে দাঁড়িয়েছেন মণিরাম, কখনও ডান দিকে কখনও বাম দিকে সেই বাঁশির আঘাতে যেন হাওয়ার পরিমণ্ডল শাসন করে চলেছেন। আর ক্রমাগত এক খাদ থেকে অন্য খাদে ছড়িয়ে পড়ছে সুরের মূর্চ্ছনা!

মণিরাম আমাদের জানিয়েছেন যে, এহেন আশ্চর্য বাঁশি তৈরির কৃৎকৌশল তিনি ১৫ বছর বয়সে শিখেছিলেন তাঁর গুরু মন্দার সিং মন্দাবির কাছে। তিনি এই ধরনের বাঁশি তৈরিতে প্রসিদ্ধ ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও। মন্দার যে তাঁর বাঁশির সম্ভার নিয়ে জাপানে গিয়েছিলেন, সেটাও জানাতে ভোলেননি মণিরাম। সঙ্গে জানিয়েছেন যে আগে এই রাজ্যে জঙ্গল অনেক ঘন এবং বিস্তৃত ছিল, অনেক পশুতে পরিপূর্ণ থাকত তা। সেই পথে যাতায়াত করার সময়ে তাঁরা সঙ্গে রাখতেন এই বাঁশি, এর আওয়াজে দূরে চলে যেত প্রাণীরা।

যদিও মণিরাম জানিয়েছেন যে, এই বাঁশি তৈরির উপকরণ ক্রমশ কমে আসছে জঙ্গল না থাকায়। এখন কেবল নিজের কর্মশালার কাছে একটি ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে এই বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতে পারেন তিনি। তাঁর আক্ষেপ- এ ভাবেই হয় তো একদিন এই শিল্প পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে কালের গর্ভে!

Published by:Subhapam Saha
First published: