' না বলে গোঁফ কেটে নেওয়া হয়েছে', নাপিতের বিরুদ্ধে গোঁফ চুরির অভিযোগ দায়ের যুবকের

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 22, 2019 07:34 PM IST
' না বলে গোঁফ কেটে নেওয়া হয়েছে', নাপিতের বিরুদ্ধে গোঁফ চুরির অভিযোগ দায়ের যুবকের
representative image
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 22, 2019 07:34 PM IST

#মহারাষ্ট্র: 'আবোল তাবোল' নয়, বাস্তবেই 'গোঁফ চুরি'-র অভিযোগ দায়ের হল! মহারাষ্ট্রের কানহান এলাকার একটি সেলুনে চুল-দাড়ি কাটতে গিয়েছিলেন ৩৫ বছরের কিরণ ঠাকুর। অভিযোগ, দোকানের মালিক সুনীললকশনে না জানিয়েই তাঁর গোঁফ কেটে দেন। বাড়িতে ফেরার পর কীরণ সুনীলকে ফোন করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান। অভিযোগ, সেসময় সুনীল তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এরপরই ওই নাপিতের বিরুদ্ধে নাগপুর থানায় জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর করেন দায়ের করেন কিরণ।

বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্থানীয় নাপিতরাও। তাঁদের সংগঠন নাভিক একতা মঞ্চের তরফে কিরণকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়, এলাকার কোনও সেলুনে যেন কিরণকে ঢুকতে না দেওয়া হয়। একতা মঞ্চের সভাপতি শরদ ওয়াটকর জানান, “ সুনীল লকশনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন। গোঁফ কাটার আগে যুবককে জিজ্ঞাসা করেছিল সুনীল এবং গোঁফ কাটার পরে সে বাড়িও চলে যায়। এরপর, আচমকা সন্ধেবেলা সুনীলের দোকানে এসে সে ভাঙচুর চালায়। তাই ওই যুবকের বিরুদ্ধেও পালটা অভিযোগ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের সংগঠনের মিটিংয়ে মিথ্যে অভিযোগ জানানোর জন্য তাকে বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।''

এর আগে, পুলিশের কাছে হৃদয় চুরির অযিভোগ এনেছিলেন নাগপুরের এক যুবক। থানার কর্তব্যরত অফিসারের কাছে গিয়ে বলেন, 'স্যার আমার গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস চুরি হয়ে গিয়েছে! খুঁজে দিতে হবে।' পুলিশ অফিসার অভিযোগ লেখার ডায়েরিটা বের করে 'কী হারিয়েছে ? কোথা থেকে হারিয়েছে?...' এরকম বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চান যুবকের কাছে! যুবকের অভিযোগ, তাঁর হৃদয় চুরি হয়ে গিয়েছে। একটি মেয়ে এই কাজটি করেছে। পুলিশের কাছে যুবকের আবেদন, তাঁকে তাঁর চুরি যাওয়া হৃদয় ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে । এমন 'অভিনব' অভিযোগের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা। ফলে যুবকের কথার কী উত্তর দেবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না! অভিযোগটাই বা কী করে দায়ের হবে ? হৃদয়হরণ সংক্রান্ত কোনও ধারাই তো নেই ভারতীয় দণ্ডবিধিতে। তাহলে? উত্তরের খোঁজে আর বিন্দুমাত্র দেরি না করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ফোন করেন ওই অফিসার!

অভিযোগ শুনে তাঁরাও তাজ্জব হয়ে যান। কিন্তু অভিযোগ যখন এসেছে তখন একটা সমাধান তো করতেই হবে। কর্মকর্তারাও ব্যস্ত হয়ে পড়েন সমাধানের খোঁজে। কিন্তু হাজার ভেবেও কোনও উপায় বের করতে পারেননি দুঁদে কর্মকর্তারাও। শেষমেশ ঘুরেফিরে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে আসেন যে, এই ধরনের অভিযোগের জন্য ভারতীয় দণ্ডবিধিতে কোনো ধারাই নেই। ফলে অভিযোগও দায়ের করা সম্ভব হয়নি! বেচারা যুবক! তাঁর চুরি যাওয়া হৃদয় আর ফিরে পাওয়া হয় না!

First published: 07:34:25 PM Jul 22, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर