• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • MAMATA BANERJEE IN JADAVPUR RALLY SAYS THE NATION IS LOOKING AT US WE WILL SEND BACK BJP WITH EMPTY HAND AKD

খালি হাতে ওদের ফেরত পাঠাব, দেশের লোক আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে, যাদবপুরে মমতা

খালি হাতে ওদের ফেরত পাঠাব, দেশের লোক আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে, যাদবপুরে মমতা

যাদবপুরের জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার যুক্তি বাংলায় বসবাসকারী বাংলাভাষী থেকে অবাঙালি, কেউই বিজেপিরকে চাইছে না, অর্থাৎ বিষয়টা বাংলা বনাম বিজেপি, এই তারেই বাধতে চাইলেন তিনি।

  • Share this:

    #যাদবপুর: ১৯৮৪ সাল। এই কেন্দ্রই তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল। যাদবপুরে তিনি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে লোকসভায় প্রবেশ করেন। তারপর মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়েছে, সেদিনের দামাল মেয়ের চুলে পাক ধরেছে। এবার প্রচারের শেষ বেলায়  এই কেন্দ্রেই ঝড় তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কটাক্ষের অভিমুখে রইলেন নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ, বাদ গেলেন না সুজন চক্রবর্তীও। ফোকাসে রইল যাদবপুরের উদ্বাস্তু মন। মমতার যুক্তি বাংলায় বসবাসকারী বাংলাভাষী থেকে অবাঙালি, কেউই বিজেপিরকে চাইছে না, অর্থাৎ বিষয়টা বাংলা বনাম বিজেপি, এই তারেই বাধতে চাইলেন তিনি।

    মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এ দিন বলেন, উদ্বাস্তুদের জন্য জমির দলিল আমি ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সবকটা উদ্বাস্তু কলোনিকে আমরা রেকগনাইজড করে দিয়েছি। কেউ নাগরিকত্ব থেকে উৎখাত করতে পারবে না। মমতা জোরের সঙ্গে বলেন, বহু রাজ্যে এনপিআর হয়েছে, তিনি নিজের জোরে সেই এনপিআর এ রাজ্য রুখেছেন। তাঁর হুশিয়ারি, বিজেপি এলে যে কোনও দিন এই উদ্বাস্তু এলাকাতেও ডিটেনশান ক্যাম্প হতে পারে। এই কথা বলতে গিয়ে এদিন তিনি নমুনা তুলে আনেন অসম থেকে।

    প্রতিটা সভা থেকেই নরেন্দ্র মোদি সুর তুলছেন দিদি ও দিদি....। মমতার যুক্তি , আসলে তাঁকে নয় ভ্যাঙানো হচ্ছে বাংলাকে। তিনি বললেন, "আমি বাংলায় কথা বলি বলে আমাকে ভ্যাঙাচ্ছে। আমাদের বাংলার নাম সবাই জানে। এটা বিশ্বকবির সোনার বাংলা, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা। ওরা ইচ্ছে করে বাংলা বলে না বলে বঙ্গাল"। প্রসঙ্গত ভোটের দিনে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে আসার পরিকল্পনারও সমলোচনা করলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য এই পরিকল্পনা ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্যেই করা।

    পুলিশ রদবদল নিয়েও মমতা এদিন এক হাত নিলেন বিজেপিকে। তাঁর বক্তব্য ভোটের জন্য ক্ষমতার যথেচ্ছ অপব্যবহার হচ্ছে। আট দফায় ভোট করানো থেকে শুরু করে পুলিশ রদবদল বা সিআরপিএফ দিয়ে ভোট করানো, প্রতিটি বিষয়কেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে ভোট করানো বলতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর কথায়,  "দেখে মনে হচ্ছে রাষ্ট্রপতির শাসনে ভোট হচ্ছে। এমনটা করছে যাতে সবটাই বিজেপির পক্ষে যায়।  পুলিশ অফিসারদের ধমকাচ্ছে। আমার লজ্জা লাগছে। আইসি থেকে এসপি হয়ে বসে থাকা অফিসাররা সিটিং গ্রিটিং ইটিং করছে।"

    বিজেপির প্রচারপুস্তিকায় আশ্বাস দেওয়া হয়েছে নির্বিঘ্নে দুর্গাপুজো করা যাবে। কেন্দ্রীয় নেতারা এসেও বলছেন, পুজোর অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করা হবে। মমতা যেন স্তম্ভিত এই বার্তায়। তিনি বললেন,  "বলছে দুর্গাপূজা করতে দিই না। ২৮ হাজার ক্লাবকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি! আমি নিজে ব্রাক্ষ্মণ ঘরের মেয়ে। বলতে বাধ্য হচ্ছি। যদিও আমি মনে করি আমার পদবিই থাকা উচিত না। কিন্তু কী মনে করো তোমরাই শুধু ধর্ম জানো!"

    অর্থাৎ বিজেপি যখন মেরুকরণ তাসে হিন্দুভোট তুলতে চাইছে মমতা ঘর গোছাতে চাইলেন বাংলা ও বাঙালি বনাম বিজেপি-এই ওষুধ ব্যবহার করে। যাদবপুরের মাটি তাঁকে অনেক দিয়েছে। এবার কি খালি হাতে ফিরতে হবে? প্রশ্নটা থাকছে।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর