• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • অবাক কাণ্ড! চুরি করে নিয়ে যাওয়া সোনার গয়না, টাকা ফেরত দিয়ে গেল চোর

অবাক কাণ্ড! চুরি করে নিয়ে যাওয়া সোনার গয়না, টাকা ফেরত দিয়ে গেল চোর

পুলিশের ভয়েই চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত দিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা

পুলিশের ভয়েই চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত দিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা

পুলিশের ভয়েই চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত দিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা

  • Share this:

#বর্ধমান: তাজ্জব ব্যাপার! চুরির পর দু রাত কাটতে না কাটতেই বাড়ি বয়ে সোনাদানা, টাকা পয়সা ফেরত দিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। একটি ব্যাগে ভরে সাতসকালে সে সব সামগ্রী বাড়ির সামনে রেখে গেল তারা। এই ঘটনায় অবাক পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, পুলিশের ভয়েই চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত দিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা।

বর্ধমান শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের আলুডাঙ্গা মাঠপাড়ার বাসিন্দা হীরা শেখের বাড়িতে তালা ভেঙে সর্বোচ্চ লুট করে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘরে তালা লাগিয়ে কয়েক ঘন্টার জন্য পাশের পাড়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে, পরিবারের অন্যান্যদেরও নিয়ে গিয়েছিলেন হীরা। ফিরে এসে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে জিনিসপত্র। তছনছ করে দেওয়া হয়েছে আলমারি। ঘরে থাকা সোনার গয়না, টাকা পয়সা কিছুই নেই। এরপরই বর্ধমান থানার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন হীরা শেখ।

সব হারানোর মন খারাপ নিয়েই শনিবার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন হীরা। সেসময় ফোনে খবর পান বাড়ির সামনে একটি ব্যাগ রাখা রয়েছে। সেই খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে এসে খুলে দেখেন, চুরি যাওয়া গয়না, টাকা কড়ি সবই রয়েছে ওই ব্যাগের মধ্যেই। চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত পেয়ে খুশি পরিবারের সদস্যরা। চোরেরা লুট করা সামগ্রী ফেরত দিয়ে গেছে- এই খবর চাউর হতেই ভিড় জমে যায় হীরা শেখের বাড়ির সামনে।

কিন্তু কি এমন ঘটলো যে সব কিছু ফেরত দিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা? পরিবারের সদস্যরা বলছেন, দুজনকে সন্দেহ হয়েছিল। পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। তাতেই ভয় পেয়ে যারা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তারা সবকিছু ফেরত দিয়ে গিয়েছে। বাড়ির সামনে সকলের অলক্ষ্যে ব্যাগে ভরে টাকা সোনাদানা নামিয়ে রেখে গিয়েছে তারা। পুলিশ তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়াতেই চাপে পড়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। চুরি যাওয়া সামগ্রী ফেরত পাওয়ার কথা বর্ধমান থানা পুলিশকে জানিয়েছে হীরা শেখ।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: