সুশান্ত মামলায় সিবিআইকে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করার অনুরোধ মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

photo source/firstpost

সিবিআই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনেক মাস কেটে গেছে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রিপোর্ট প্রকাশ করা উচিত। মানুষ জানতে চায়।

  • Share this:

    #মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছেন, না খুন হয়েছেন? আর বিলম্ব না করে এবার জানিয়ে দিক সিবিআই। রবিবার এই দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। ১৪ জুন বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় সুশান্তকে। তারপর আত্মহত্যা না খুন, এই বিতর্কে কেঁপে যায় কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী সহ সন্দেহের আঙুল ওঠে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে। দেশের সীমানা পেরিয়ে ইউরোপ এবং আমেরিকাতেও ঝড় ওঠে নায়কের অকস্মাৎ মৃত্যুতে। খবরের প্রাইম টাইম দখল করে রাখত এই একটাই খবর।

    মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ বলেন,"মহারাষ্ট্র ও দেশের মানুষ জানতে চায় সুশান্ত মামলার তদন্ত কী হল। মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে মামলার অবস্থা কী? কোনও উত্তর দিতে পারি না। তাই সিবিআইয়ের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ এটি আত্মহত্যা না হত্যা তা দয়া করে প্রকাশ করুন।' ১৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট অভিনেতার বাবা এবং পরিজনদের অনুরোধে মামলাটি সিবিআইকে তুলে দিয়েছিল। বিহার পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার গ্রহণ করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তারপর সুশান্তের ফ্ল্যাটে বিভিন্নরকম অনুসন্ধান চালায় তাঁরা। ইডি এবং এনসিবি-র মত এজেন্সিও তদন্তে নামে। অভিনয় দুনিয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দুনিয়া, নাম জড়িয়ে যায় অনেকের। কিছু সূত্র জানিয়েছিল প্রথমে অভিনেতার শরীরে পাওয়া চিহ্ন দেখে খুন মনে হয়েছিল।

    কিন্তু অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স অর্থাৎ এইমস মেডিকেল বোর্ড সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সম্ভাবনা বাতিল করে একে আত্মহত্যার মাধ্যমে ফাঁসি ও মৃত্যুর ঘটনা হিসেবেই উল্লেখ করেছিল। অনিল দেশমুখ জানান,'সত্যিটা জানা সকলের অধিকার । আমরা তখনও যা বলেছিলাম আজও তাই বলছি। সিবিআই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনেক মাস কেটে গেছে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রিপোর্ট প্রকাশ করা উচিত। মানুষ জানতে চায়। সবকিছু যেন কেমন চুপচাপ হয়ে গিয়েছে। অথচ বিভিন্ন রকম দাবি শোনা যাচ্ছিল। অভিনেতা এবং তাঁর ভক্তদের প্রতি আমরা সম্মান রেখে এসেছি, আগামী দিনেও রাখব। কিন্তু ঠিক কেন আসল কারণ সামনে আসতে এত দেরি হচ্ছে সেটা জানা দরকার'।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: