• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • কেউ এগিয়ে এল না, তীব্র গরমে জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে 'করোনা যোদ্ধা' স্বাস্থ্যকর্মী

কেউ এগিয়ে এল না, তীব্র গরমে জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে 'করোনা যোদ্ধা' স্বাস্থ্যকর্মী

এই লকডাউনেও যাতে দেশের নাগরিক সুস্থ থাকেন, কোনও সমস্যায় না পড়েন, কোনও জরুরি পরিষেবা না ব্যহত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে নিরন্ত দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশ কর্মী, সাফাই কর্মী, স্বাস্থ কর্মীদের মত বহু করোনা যোদ্ধা!

এই লকডাউনেও যাতে দেশের নাগরিক সুস্থ থাকেন, কোনও সমস্যায় না পড়েন, কোনও জরুরি পরিষেবা না ব্যহত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে নিরন্ত দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশ কর্মী, সাফাই কর্মী, স্বাস্থ কর্মীদের মত বহু করোনা যোদ্ধা!

এই লকডাউনেও যাতে দেশের নাগরিক সুস্থ থাকেন, কোনও সমস্যায় না পড়েন, কোনও জরুরি পরিষেবা না ব্যহত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে নিরন্ত দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশ কর্মী, সাফাই কর্মী, স্বাস্থ কর্মীদের মত বহু করোনা যোদ্ধা!

  • Share this:

    #সাগর, মধ্যপ্রদেশ : করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গোটা দেশ জুড়ে জারি লকডাউন। চিকিৎসক- গবেষকরা জানিয়েছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে এই মারণ ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচা যাবে! কাজেই প্রায় গোটা দেশ গৃহবন্দি ! কিন্তু এই লকডাউনেও যাতে দেশের নাগরিক সুস্থ থাকেন, কোনও সমস্যায় না পড়েন, কোনও জরুরি পরিষেবা না ব্যাহত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে নিরন্তর দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশ কর্মী, সাফাই কর্মী, স্বাস্থ্য কর্মীদের মত বহু করোনা যোদ্ধা!

    কিন্তু যাঁরা নিজের প্রাণকে সংকটে ফেলে গোটা দেশের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন, সেই করোনা যোদ্ধাদের কি সবাই মনে রাখছেন? পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাঁদের ? বাড়িয়ে দিচ্ছেন সহমর্মিতায়, সাহায্যের হাত ? মধ্যপ্রদেশে সদ্য ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় এই প্রশ্ন উঠে আসছে বৈকি! সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে রাস্তায় পড়েছিলেন এক স্বাস্থ্যকর্মী। প্রায় আধ ঘণ্টা তিনি সেভাবেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকেন, কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। পরে তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই আচরণটা কি তাঁর প্রাপ্য ছিল ? উঠছে প্রশ্ন!

    টিবি হসপিটাল থেকে বুন্দেলখণ্ড মেডিক্যাল কলেজে করোনা রোগীদের স্থানান্তর করার কাজ চলছিল। ১০৮ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের হয়ে কাজ করছিলেন হীরালাল প্রজাপতি নামে ওই স্বাস্থকর্মী। বুধবার দুপুর ২টো নাগাদ তিনি জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যান।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, হীরালাল প্রজাপতির গোটা শরীর পিপিই- তে ঢাকা ছিল। ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গোটা শরীর পিপিই-তে মোড়া, স্বাভাবিকভাবেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বিএমসি-র সামনেই অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান রাস্তায়। তাঁর সহকর্মী অ্যাম্বুলেন্সের চালক বিএমসি কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করেন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য, কিন্তু অভিযোগ, সেই অনুরোধে কান দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    এর পর অন্য কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী অসুস্থ হীরালালকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান, সেখানেই তাঁর চিকিৎসা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন,  বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন হীরালাল প্রজাপতি।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: