• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ১৯৯৯-এর সুপার সাইক্লোন!‌ সেবারে তছনছ হয়েছিল ওড়িশা, মৃত্যু হয়েছিল ন’‌হাজার

১৯৯৯-এর সুপার সাইক্লোন!‌ সেবারে তছনছ হয়েছিল ওড়িশা, মৃত্যু হয়েছিল ন’‌হাজার

আমফানে তাণ্ডবে বাংলার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ওড়িশাও ৷ মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওড়িশা উপকূলে ঘনীভূত হওয়া এই ঘূর্ণাবর্তের গতিপ্রকৃতি বুঝতে আরও দিন তিনেক সময় লাগবে ৷

আমফানে তাণ্ডবে বাংলার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ওড়িশাও ৷ মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওড়িশা উপকূলে ঘনীভূত হওয়া এই ঘূর্ণাবর্তের গতিপ্রকৃতি বুঝতে আরও দিন তিনেক সময় লাগবে ৷

সরকারি ভাবে সেই ঝড়ে ৯ হাজার মৃত্যুর কথা বলা হলেও, মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজারে মতো।

  • Share this:

    আমফান ঝড়কে বলা হচ্ছে এই শতকের প্রথম সুপার সাইক্লোন!‌ কিন্তু এর আগেও এমন মারণ ঝড় দেখেছে এই দেশ। গত শতাব্দীর শেষ বছরে। ১৯৯৯ সালের ২‌৫ অক্টোবর তারিখটা আর কোনওদিন মনে রাখতে চাইবে না ওড়িশা, ভারত, কেউই!‌ কারণ, সেদিন সুপার সাইক্লোনের দাপটে ওড়িশায় মৃত্যু হয়েছিল ন’‌হাজারের বেশি মানুষের। তৎকালীন মূল্যে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ৪৪০ কোটি টাকার সম্পত্তি। আবহবিদরা বলছেন, সেই একই পথ ধরে এবারে আসছে আমফান। সেবারে গতিপথে সামনে পড়েছিল ওড়িশা। এবারে সেই পথেই এসেছে পশ্চিমবঙ্গ!‌

    কী হয়েছিল সেবারের ঝড়ে? সুপার সাইক্লোনে বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল প্রায় ২৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়‌, যা স্থায়ী হয়েছিল মাত্র তিন মিনিট। আর তাতেই ওড়িশার একটি জেলাতে মৃত্যু হয় সাড়ে আট হাজার মানুষের। ওড়িশার ১২টি জেলায় কম বেশি মানুষের মৃত্যুর খবরা পাওয়া যায়। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলেন দেড় কোটি মানুষ। নষ্ট হয়েছিল ১৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার জমির ফসল। ঝড়ের ফলে ৫–৬ ফুট উঠে এসেছিল সমুদ্র, ফলে স্থানীয় ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় ঢুকে পড়েছিল সমুদ্রের নোনা জল। শুধু পারাদ্বীপ বন্দরে ক্ষতি হয়েছিল ৩০ কোটি টাকার। গোপালপুর এলাকায় টানা ২৭টি গ্রাম একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও প্রভাব পড়েছিল ঝড়ে। তৎকালীন অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের। তাই ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা যে নরক যন্ত্রণা ডেকে এনেছিল দেশে।

    বলা হয়, সরকারি ভাবে সেই ঝড়ে ৯ হাজার মৃত্যুর কথা বলা হলেও, মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজারে মতো। অসংখ্য দরিদ্র মানুষ শুধু মাত্র নিরাপদ স্থানের অভাবে ঝড়ের তাণ্ডবে মারা গিয়েছিলেন। শোনা যায়, সমূদ্রের ঢেউ উঠেছিল তিরিশ ফুটের বেশি, অর্থাৎ তিনতলা বাড়ির সমান। এমন ভয়ানক ঝড়ের মুখে পড়ে প্রায় সব শেষ হয়ে গিয়েছিল ছোট্ট উপকূল শহর পারাদ্বীপের।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: