Light specialist vehicle: সেনার হাতে আসছে বিশেষ সাঁজোয়া গাড়ি

Light specialist vehicle: সেনার হাতে আসছে বিশেষ সাঁজোয়া গাড়ি

ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে হালকা সাঁজোয়া গাড়ি

এক একটি গাড়িতে একসঙ্গে মেশিনগান, রকেট লঞ্চার এবং অটোমেটিক গ্রেনেড দিয়ে হামলা করার প্রযুক্তি থাকবে

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: আত্মনির্ভর ভারতের সবচেয়ে বড় উদাহরণ বোধ হয় সামরিক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। রাইফেল, কারবাইন, মর্টার থেকে শুরু করে তেজস মার্ক ওয়ান যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে। এবার ভারতীয় সেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ১৩০০ হালকা সাঁজোয়া গাড়ি তৈরি করার বরাত দেওয়া হয়েছে মাহিন্দ্রা ডিফেন্স সিস্টেমকে। সংস্থাটির সঙ্গে ১০৫৬ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

    এই বিশেষ অস্ত্রটি এক ধাপে ভারতীয় সেনার শক্তি অনেকটা বাড়িয়ে দেবে। এই কারণে যে এক একটি গাড়িতে একসঙ্গে মেশিনগান, রকেট লঞ্চার এবং অটোমেটিক গ্রেনেড দিয়ে হামলা করার প্রযুক্তি থাকবে। পাশাপাশি শত্রুপক্ষের গুলি বা ল্যান্ডমাইন এই গাড়িকে আঘাত করতে পারবে না। একসঙ্গে পাঁচ থেকে সাতজন এই গাড়িতে থাকতে পারবেন। জঙ্গল থেকে পাহাড়, যে কোনও রাস্তায় এই বিশেষ ধরণের গাড়ি ব্যবহার করা সম্ভব।

    আগামী চার বছরের ভেতর ১৩০০ গাড়ি চলে আসবে সেনার হাতে। শত্রুর চোখে ধুলো দিতে সাঁজোয়া গাড়ি এবং সেনাদের বহনকারী গাড়িগুলিকে ‘অদৃশ্য’ করার চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। শত্রুর হাত থেকে রেহাই পেতে ‘ছদ্মবেশ’ ধরবে সাঁজোয়া গাড়িগুলি। সেনা সূত্রে খবর, বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যে সব ট্যাঙ্ক ও গাড়ি ব্যবহার করা হয় সেগুলো সহজেই সেন্সর ও র‌্যাডারে ধরা পড়ে। ট্যাঙ্ক ও গাড়িগুলোর তাপমাত্রার কারণেই সেগুলো ধরা পড়ে যায় বলে বিশেষজ্ঞদের মত। তাই উন্নততর সুরক্ষার খাতিরে এমন কিছু প্রযুক্তির দরকার যা বাহনগুলিকে ‘অদৃশ্য’ করতে পারবে।

    সেনা সূত্রে খবর, এ ব্যাপারে ‘কোয়ান্টাম স্টেলথ’-এরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কানাডার একটি সংস্থা এই প্রযুক্তির উদ্ভাবক। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেনাদের বাহনগুলোতে এক বিশেষ ধরণের ধাতু ব্যবহার করা হবে। যা আলোক তরঙ্গকে বেঁকিয়ে দিয়ে বাহনগুলোকে ‘অদৃশ্য’ করে দেবে। শুধু তাই নয়, ইনফ্রারেড, থার্মাল সিগনেচার এমনকী গাড়ির ছায়াও পর্যন্ত পড়বে না। ফলে শত্রুকে সহজেই বোকা বানানো যাবে।

    চিনা সেনারা এই ধরণের গাড়ি নিয়ে লাদাখ বা অন্যান্য ভারতীয় সীমান্তে চলে আসে। আধুনিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ছোট জায়গায় এই গাড়ি ব্যবহার করা যায় বলে খুবই প্রয়োজনীয়। তবে চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার আগে গাড়িটি একাধিকবার পরীক্ষা করে তবেই সবুজ সংকেত দিয়েছে সেনাবাহিনী।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর