ঘায়েল অন্তত ছ'জন, ২৩ ঘণ্টার অপারেশনে অবশেষে বাগে ইন্দোরের 'ঘরকুনো' চিতাবাঘ!

ঘায়েল অন্তত ছ'জন, ২৩ ঘণ্টার অপারেশনে অবশেষে বাগে ইন্দোরের 'ঘরকুনো' চিতাবাঘ!

প্রতীকী ছবি

বুধবার সেটি ঢুকে পড়েছিল ইন্দোরের লিম্বোদি এলাকায়। রালামন্ডল অভয়ারণ্য থেকে পালিয়ে ঢুকে পড়েছিল জনবহুল এলাকার ভিতর। ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে শেষ পর্যন্ত বাগে আনা গিয়েছে চিতাবাঘকে।

  • Share this:

    #ইন্দোর: মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের আবাসন এলাকায় ঢুকে পড়া 'ঘরকুনো' চিতাবাঘকে অবশেষে জালে ধরতে পারা গিয়েছে। গত একদিনে প্রায় ছয়জনকে ঘায়েল করেছে সেই চিতাবাঘ। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় প্রায় ২৩ ঘণ্টার অপারেশনের পর ধরা পড়েছে চিতাবাঘটি। বনাধিকারিকদের দাবি, এই চিতাবাঘকে ধরতে প্রায় হিমশিম অবস্থা হয়েছিল তাঁদের। বুধবার সেটি ঢুকে পড়েছিল ইন্দোরের লিম্বোদি এলাকায়। রালামন্ডল অভয়ারণ্য থেকে পালিয়ে ঢুকে পড়েছিল জনবহুল এলাকার ভিতর। ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে শেষ পর্যন্ত বাগে আনা গিয়েছে চিতাবাঘকে।

    এক পুলিশকর্মী-সহ অন্তত ৬ জনকে ঘায়েল করেছে ওই চিতাবাঘটি। জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সেটি ঢুকে পড়েছিল জনবহুল এলাকার ভিতর। তার পরেই লুকিয়ে পড়েছিল। বুধবার প্রথমে শিবধান কলোনিতে দেখা যায় বাঘটিকে। সেখানেই এক শিশুকেও আক্রমণ করেছিল সেটি। শিবধান কলোনিতে বনাধিকারিকদের ডেকে পাঠানোর পর সেখান থেকে উধাও হয়ে যায় বাঘটি। তার পরেই সেটিকে কাছাকাছি একটি ফার্মহাউজের ভিতর দেখা গিয়েছিল। সেখানে তুলে রাখা ধানের আঁটির পিছনে ঢুকে বসেছিল সেটি।

    বন দফতরের স্থানীয় অফিস থেকে কর্মীরা এসে সেখানেই খোঁজাখুঁজি শুরু করেও তাকে বাগে আনতে পারেনি। খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না বাঘটিকে। পরে মাইক ও স্পিকার এনে কলোনিবাসীকে সতর্ক করা হয় বাঘটির সম্পর্কে। বাড়ি থেকে কাউকে বের না হতে নির্দেশ দেন বনকর্মীরা। বুধবার ব্যর্থ হয়ে ফের বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয় বাঘের তল্লাশি। লিম্বোডি এলাকায় বাঘের থাবার ছাপ দেখতে পেয়ে পরে সেখানেই জাল ফেলা হয়।

    তল্লাশির সময় ফের একটি বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল চিতাবাঘটি। ঘরে এক ব্যক্তিকে ফের জখম করে সেটি। এর পর সেখান থেকে বেরিয়ে একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের ভিতর ঢুকে পড়ে। একটি শিশুকেও সেখানে জখম করে সে। গোটা এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় ফের মাইকিং করে বনকর্মীরা এলাকা ফাঁকা করে দিতে বলেন। শেষে সেখানেই ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে বাঘটিকে বাগে আনা হয়।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: