CAA Protest: ‘মানুষকে বিপথে চালানো নেতৃত্ব নয়, ছাত্রদের নেতৃত্বেই বিভিন্ন শহরে হিংসার পরিস্থিতি,’ মন্তব্য সেনাপ্রধানের

CAA Protest: ‘মানুষকে বিপথে চালানো নেতৃত্ব নয়, ছাত্রদের নেতৃত্বেই বিভিন্ন শহরে হিংসার পরিস্থিতি,’ মন্তব্য সেনাপ্রধানের
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। সরাসরি পড়ুয়া ও তাদের আন্দোলনকেই হিংসার জন্য দায়ী করলেন ৷ তারপরই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সেনাপ্রধান কি এরকম রাজনৈতিক মন্তব্য করতে পারেন? সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াতের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী নেতা থেকে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলন। জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলিগড়, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন পড়ুয়ারা। আন্দোলনে সামিল কলকাতার প্রেসিডেন্সি-যাদবপুরও। বৃহস্পতিবার সেই আন্দোলনকেই কাঠগড়ায় তুললেন সেনাপ্রধান। বিপিন রাওয়াতের মন্তব্য, ‘ছাত্রদের সশস্ত্র আন্দোলন হিংসাত্মক ৷ ছাত্রদের নেতৃত্বে বিভিন্ন শহরে হিংসার পরিস্থিতি ৷’ এখানেই শেষ নয়, ‘সেনাপ্রধানের তোপ, যাঁরা হিংসা ও অগ্নিস‌ংযোগে নেতৃত্ব দেন, তাঁরা আদৌ নেতা নন।’

সেনাবাহিনীর নেতার এই মন্তব্য়ের পরই শুরু হযেছে বিতর্ক। সরব বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের ট্যুইট, ‘যাঁরা কর্মীদের সাম্প্রদায়িক হিংসা থেকে গণহত্যায় উত্সাহ দেন, তাঁরাও তো নেতা হতে পারেন না। সেনাপ্রধান একমত তো?’ সরব এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসিও, ‘নাগরিক সমাজে কি হচ্ছে দেখার জন্য পুলিশ, প্রশাসন রয়েছে। এখানে সেনার কোনও ভূমিকা থাকতে পারে না ৷’

সেনা প্রধানের মুখে রাজনৈতিক মন্তব্য কাম্য নয়, বলছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। সংবিধান বিশেষজ্ঞ উদয়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  সংবিধানে সেনাপ্রধানের কোনও গুরুত্ব দেওয়া হযনি। কেন রাজনৈতিক বক্তব্য় রাখবেন, জনমাসনে প্রভাব পড়বে। পড়শি রাষ্ট্র পাকিস্তানে সরকার নিয়ন্ত্রণে পাক সেনার ভূমিকা রয়েছে। পাক সেনা অনেক সময় দেশও চালিয়েছে। ভারতে রাজনৈতিক যুদ্ধে সেনা নায়কদের মন্তব্যের কোনও নজির নেই। ৩১ ডিসেম্বর অবসর নেবেন বিপিন রাওয়াত। তাঁর আগেই সেনাপ্রধানের বেনজির রাজনৈতিক মন্তব্যে জোর বিতর্ক।

First published: 06:21:59 PM Dec 26, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर