• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • La Nina Effect In India: বর্ষা গেল দেরিতে, এবার প্রবল শীতের সতর্কতা শোনাল আবহাওয়া দফতর

La Nina Effect In India: বর্ষা গেল দেরিতে, এবার প্রবল শীতের সতর্কতা শোনাল আবহাওয়া দফতর

La Nina Effect In India: প্রবল বৃষ্টিতে দেশের মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। এবার জাঁকিয়ে শীত পড়ার আশঙ্কা! কী বলছে আবহাওয়া দফতর!

La Nina Effect In India: প্রবল বৃষ্টিতে দেশের মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। এবার জাঁকিয়ে শীত পড়ার আশঙ্কা! কী বলছে আবহাওয়া দফতর!

La Nina Effect In India: প্রবল বৃষ্টিতে দেশের মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। এবার জাঁকিয়ে শীত পড়ার আশঙ্কা! কী বলছে আবহাওয়া দফতর!

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: অবশেষে ভারত থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। সাধারণত ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সারা ভারত থেকে বর্ষা বিদায় নেয়। তবে এবার দেরি হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এখন অনুমান করা হচ্ছে, ভারতে এই বছর ঠান্ডাও পড়বে বেশি। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শীত আরও তীব্র হতে চলেছে। সুদূর প্রশান্ত মহাসাগরে আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে এমনটা হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যার প্রভাব পড়বে গোটা বিশ্বে। লা নিনার প্রভাবে এসব পরিবর্তন হচ্ছে।

    লা নিনা শব্দের অর্থ কী-

    লা নিনা একটি স্প্যানিশ শব্দ। যার অর্থ ছোট মেয়ে। এটি En Nio Southern Oscillation (ENSO) চক্র নামে একটি জটিল প্রক্রিয়ার অংশ, যা প্রশান্ত মহাসাগরে ঘটে এবং সারা বিশ্বের জলবায়ুর উপর প্রভাব ফেলে। এই প্রক্রিয়ার দ্বিতীয়টিকে বলা হয় এল নিনো, যার ঠিক বিপরীত প্রভাব লা নিনার।

    প্রশান্ত মহাসাগরের ভৌগলিক অবস্থান-

    প্রশান্ত মহাসাগরের ভৌগলিক অবস্থান এই চক্র জুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা আমেরিকা থেকে এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। ENSO প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠের জল এবং বায়ুতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে। এটি সারা বিশ্বে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এবং বায়ু সঞ্চালনের ধরণকে প্রভাবিত করে। লা নিনাকে ENSO-এর শীতল প্রভাব হিসেবে দেখা হয়, এল নিনাকে উষ্ণায়নের প্রভাব হিসেবে দেখা হয়।

    প্রশান্ত মহাসাগরের শীতলতা-

    লা নিনাযর বাতাস প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ জলের পৃষ্ঠের উপর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়, তখন উষ্ণ জলে নড়াচড়া হয়। সেই সময় ঠান্ডা জল পৃষ্ঠে আসে। এর ফলে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর স্বাভাবিকের চেয়ে শীতল হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন- রেলে ফিরছে প্যান্ট্রি, কম্বল-বিছানার পরিষেবা, অনলাইনে কী ভাবে খাবার অর্ডার করবেন

    অন্যদিকে, লা নিনার প্রভাবে শীতকালে বাতাস দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে নিরক্ষরেখার কাছাকাছি জায়গা এবং তার কাছাকাছি জল স্বাভাবিকের চেয়ে ঠান্ডা হয়ে যায়। এই কারণে সমগ্র বিশ্বের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে সমুদ্রের তাপমাত্রার এই পরিবর্তন। ভারতে ভারী বৃষ্টিপাত, পেরু এবং ইকুয়েডরে খরা, অস্ট্রেলিয়ায় প্রবল বন্যা এবং ভারত ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের উচ্চ তাপমাত্রা, সবই লা নিনার কারণে।

    ২০২১-এ কী হতে পারে-

    এবার লা নিনা সক্রিয়। দ্য প্রিন্ট-এর রিপোর্ট, জওহরলাল ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবি দিমিত্রি বলছেন, এর প্রভাব ভারতে এবার শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। প্রতি দুই থেকে সাত বছরে এলোমেলোভাবে পুনরাবৃত্তি হয় এল নিনা ও লা নিওর। এল নিওর প্রভাব লা নিয়ার চেয়ে বেশিবার দেখা গেছে।

    ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের ডাইরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেছেন, প্রশান্ত মহাসাগরে দুর্বল লা নিনা পরিস্থিতির কারণে এবার শীত বেশি পড়বে। আমেরিকান বিজ্ঞানী এবং ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ডের জলবায়ু বিজ্ঞানী রঘু মুর্তুগুডে ডাউন টু আর্থ-কে বলেছেন, মহাবালেশ্বরে হিম পড়া এবং তামিলনাড়ুর পাহাড়ি এলাকায় প্রবল ঠান্ডার মতো ঘটনাগুলি লা নিনার সাথে সম্পর্কিত।

    ভারতে লা নিনা শীতের মরশুমে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এই মরশুমে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হয়। এছাড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়, যা উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টি এবং তুষারপাত নিয়ে আসে। এছাড়া সাইবেরিয়ার বাতাসও প্রবল শীতের কারণ হয়ে ওঠে।

    Published by:Suman Majumder
    First published: