corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্ত শহরবাসীকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে কলকাতা পুরসভা 

করোনা আক্রান্ত শহরবাসীকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে কলকাতা পুরসভা 

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও তার পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করবে কলকাতা পুরসভা

  • Share this:

#কলকাতা: ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে কল্লোলিনী কলকাতা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী,  শহরে গ্রিন জোনের সংখ্যা বাড়ল প্রায় ৭০ টি। ফলে, এখনি জোর দিয়ে বলা না গেলেও, আশার আলো দেখাচ্ছে শহর। পাশাপাশি,  এখন থেকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও তার পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থাও করবে কলকাতা পুরসভা, এমনটাই  জানালেন  কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বর্গের চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম।

 রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া শুক্রবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতায় গ্রিন জোনের সংখ্যা বাড়ল প্রায় ৭০ টি। অর্থাৎ, গত ২১ দিনে কলকাতার এই ৭০ টি সংক্রামিত এলাকা থেকে নতুন করে আর কোনও করোনা আক্রান্তের খবর মেলেনি। এদিন কলকাতা পুরসভায় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'এটা আমাদের কাছে, কলকাতাবাসীর কাছে  স্বস্তির খবর। তবে, আগামিকাল আবার সংক্রামিত এলাকা বাড়বে না, এমন দাবি আমরা করছি না।'

সংক্রমণ যাতে না ছড়ায়, তার জন্য সংক্রমণের খবর পেলেই রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসার দায়িত্ব যেমন নেবে পুরসভা, তেমনি তাঁর পরিবারের লোকজনকে রাজারহাট বা বালিটিকুরির সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখার ব্যবস্থাও করবে পুরসভা। গতকাল,  কলকাতার কন্টেইনমেন্ট জোন বা সংক্রামিত এলাকা ছিল প্রায় ৩৫৬ টি। শুরুর দিকে এই সংখ্যাটাই ছিল ৪০০-র বেশি। সেই জায়গা থেকে পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা ভাল।  কলকাতার রাজাবাজার, বেলগাছিয়ার মত ঘিঞ্জি এলাকাও আজ কন্টেইনমেন্ট জোন থেকে গ্রিন জোনে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মতে, রাজাবাজার, বড়বাজার, গার্ডেনরিচের মত অতি সংক্রমণ প্রবণ এলাকাতেও এখন নতুন সংক্রমণ সেভাবে পাওয়া যাচ্ছে  না। ওই  এলাকায় গড়পড়তা নমুনা পরীক্ষার ফলও বেশিরভাগই নেগেটিভ এসেছে। ৩০০ - ৪০০ করোনা পরীক্ষায় মেরেকেটে শতকরা ১ বা ২ জনের মধ্যে সংক্রমণ পাওয়া যাচ্ছে। তবে, সংক্রমণ আপাতত কম হলেও, আশঙ্কা  কাটেনি। বিশেষকরে,  কলকাতায় উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা যে ভাবে বাড়ছে তাতে এই আশঙ্কা উড়িয়ে দিতে পারছে না রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

কলকাতা পুরসভার মতে,  বস্তি এলাকাগুলি ঘিঞ্জি হওয়ায় সেখানে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভবনা যথেষ্টই বেশি। যদিও, সেই আশঙ্কাকে খানিকটা ভুল প্রমান করে, বস্তির চেয়ে শহরের আবাসন, হাউসিং কমপ্লেক্সগুলিতে  তুলনামূলক ভাবে সংক্রমণ বাড়ছে বলে দাবি পুরসভার। পুরসভার কোভিড কমিটির মতে, বড়বাজারের মত এলাকায়, যেখানে বাইরের লোক বেশি আসে, সেখানে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। মন্ত্রী ববি হাকিম জানান, মানুষের মধ্য ডেঙ্গি সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহার নিয়ে আগামি ১৬ মে থেকে কলকাতা জুড়ে প্রচার শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা।

ARUP DUTTA

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 15, 2020, 10:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर