দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘হৃৎপিণ্ড-সহ সমস্ত অঙ্গ বিক্রি করতে চাই’, সন্তানদের চিকিৎসার খরচ জোগাতে কাতর আবেদন মা’র

‘হৃৎপিণ্ড-সহ সমস্ত অঙ্গ বিক্রি করতে চাই’, সন্তানদের চিকিৎসার খরচ জোগাতে কাতর আবেদন মা’র

অসুস্থ, অক্ষম সন্তানদের নিয়ে অসহায় মা । স্বামী ছেড়ে গিয়েছে, যখন ছোট সন্তানটি তাঁর গর্ভে । তারপর থেকে আর ফিরেও তাকায়নি এই সংসারের দিকে ।

  • Share this:

#কেরল: নয়া পয়সাও নেই হাতে । নেই এক চিলতে জমি বা এক টুকরো মাথার ছাদ । ঘরে পাঁচ ছেলে-মেয়ে । বেশিরভাগই অসুস্থ, রুগ্ন । তাদের চিকিৎসার খরচ জোগাতে চাই প্রচুর টাকা । কিন্তু হতদরিদ্র মায়ের সেই সামর্থ্য নেই । অগত্যা রাস্তার ধারে নিজের শরীর সমস্ত অঙ্গ বিক্রি করতে বসলেন ৪৪ বছরের সাথীদেবী । একটি প্ল্যাকার্ডে লিখলেন, সমস্ত অঙ্গ এমনি হার্টও বিক্রি করা হবে । কেউ চাইলে টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে যান । অসহায় মায়ের এমন আবেদন নিমেষে নজরে পড়ে সংবাদমাধ্যমের । সরকারের সহায়তায় অবশেষে সাথীদেবীর ছেলে-মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার পাঁচ সন্তান । ৪ ছেলে ১ মেয়ে । পথ দূর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে বড় ছেলে । তাঁর পা ভেঙে গিয়েছে । মাথাও দু’টুকরো হয়ে গিয়েছে । কোনওরকম প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েছেন সাথী । কিন্তু এখনও পুরোপুরি সুস্থ নয় সে । মেজো ছেলে জন্ম থেকেই বিশেষভাবে অক্ষম । সাত বছর বয়সে তার পেটে জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছিল । এখন বয়স ২৩ । কিন্তু এখনও সুস্থ নয় সে । ২০১৩ সালে মেয়েরও বড় দূর্ঘটনা ঘটেছিল । তারপর থেকে সেও অসুস্থ । মাত্র দুই ছেলে সুস্থ রয়েছে ।

অসুস্থ, অক্ষম সন্তানদের নিয়ে অসহায় মা । স্বামী ছেড়ে গিয়েছে, যখন ছোট সন্তানটি তাঁর গর্ভে । তারপর থেকে আর ফিরেও তাকায়নি এই সংসারের দিকে । ধার নিতে নিতে ঋণের পাহাড়ের তলায় এখন দমবদ্ধ অবস্থা সাথীর । তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও এই সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি । শেষ পর্যন্ত রাস্তার ধারে ত্রিপল খাটিয়ে সন্তানদের নিয়ে প্রতিবাদে বসেছিলেন সাথীদেবী ।

এতেই নজর যায় মিডিয়ার । টনক নড়ে প্রশাসনের । শেষ পর্যন্ত সাথীদেবী ও তাঁর সন্তানদের অস্থায়ী পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । তাঁর এবং তাঁর সন্তানদের দেখভালের সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেরল সরকার ।

Published by: Simli Raha
First published: September 22, 2020, 4:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर