বয়স ৯০!‌ ল্যাপটপে রোজ খবরের পড়ছেন কেরলের এই মহিলা, মুগ্ধ নেটিজেনরা

বয়স ৯০!‌ ল্যাপটপে রোজ খবরের পড়ছেন কেরলের এই মহিলা, মুগ্ধ নেটিজেনরা

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন মেরি। আর অন্য একটি টেবিলে রাখা রয়েছে ল্যাপটপ।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন মেরি। আর অন্য একটি টেবিলে রাখা রয়েছে ল্যাপটপ।

  • Share this:

    কে বলেছে বয়স একটা বড় বিষয়!‌ মোটেই না। বরং মনটাই আসল। মন যদি তাজা থাকে, তাহলে বয়সের বিশেষ কোনও বাধা থাকে না। সেকথাই প্রমাণ করেছেন কেরলের থিসুর জেলার ‘‌ঠাম্মা’‌। বয়স ৯০ বছর, তাও এই বয়সেও তিনি শিখছেন কীভাবে ল্যাপটপে কাজ করতে হয়। আর ঠাম্মার এই উৎসাহী মানসিকতা মন জিতে নিয়েছে নেটিজেনদের।

    সম্প্রতি মেরি ম্যাথু নামে ওই বৃদ্ধার নাতি অরুণ থমাস একটি ছবি শেয়ার করেন। যেখানে দেখা যায়, ওই মহিলা একটি টেবিলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করছেন। ল্যাপটপে রোজের খবর দেখছেন। রেডিট নামে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘‌আমার দিদা। বয়স ৯০ বছর। তিনি ল্যাপটপ ব্যবহার করতে শিখছেন, কম্পিউটারে ই নিউজপেপার পড়ছেন। আমার মনে হয় পরিবর্তনের সঙ্গে ওঁর মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতাকে সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।’‌

    ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি চেয়ারে বসে আছেন মেরি। আর অন্য একটি টেবিলে রাখা রয়েছে ল্যাপটপ। সেখানে তিনি মালয়ালম ভাষার জনপ্রিয় দৈনিক মাতৃভূমি পড়ছেন। জানা গিয়েছে, মেরির পরিবার খবরের কাগজ নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন, করোনা ভাইরাস প্রকোপ বাড়বাড়ন্ত হওয়ার পরেই। কিন্তু তা বলে রোজকার খবর দেখা বা খবরের কাগজ পড়া একেবারে বন্ধ করে দেওয়া তো যায় না। আমরা সকলেই ই নিউজ পেপার পড়ছি হয়ত। কিন্তু বাড়ির বয়ষ্করা প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত না হওয়ায় এতদিন পর খবরের কাগজ পড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সেই বঞ্চিতদের তালিকায় নিজেকে রাখতে চাননি বলেই মনের জোরে ল্যাপটপ চালাতে শিখে নিয়েছেন মেরি। আর সেখানেই তিনি পড়ছেন খবরের কাগজ।

    মেরির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার প্রকোপ নিয়ে খুঁটিনাটি খবর থাকে মেরির কাছে। তিনি খবর কাগজ থেকে সবটাই পড়েন। একমাস ধরে শেখার পর থেকে এখন নিজে নিজেই তিনি খবর পড়তে পারেন, চালাতে পারেন ল্যাপটপ। অরুণ থমাস জানিয়েছেন, তিনি একটি টেবিল তাঁর দিদাকে ল্যাপটপ ব্যবহারের জন্য দিতে চান। যাতে তিনি সহজে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: