‘গ্রামে ফোন করে বলে দিন, ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে’ আপ্লুত কেজরি

‘গ্রামে ফোন করে বলে দিন, ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে’ আপ্লুত কেজরি
AAP Chief Sworn in for 3rd Term in Ramlila Maidan PHOTO : ANI

‘আপনাদের ছেলে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে৷ গ্রামে ফোন করে বলে দিন৷ আর কোনও চিন্তার কারণ নেই৷’

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ‘আপনাদের ছেলে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে৷ গ্রামে ফোন করে বলে দিন৷ আর কোনও চিন্তার কারণ নেই৷’ শপথ অনুষ্ঠানে কেজরিওয়ালকে দেখে মনে হচ্ছিল, এতদিন টেনশন ছিল ষোল আনা৷ একধাক্কায় সব টেনশন কমে গেছে৷ বেড়েছে আত্মবিশ্বাসও৷ কারণ, নিজের উন্নয়নের ফর্মুলাতেই জয় পেয়েছেন তিনি৷ তাই সেই উন্নয়নের কথাই ফিরে ফিরে এল তাঁর ভাষণে৷ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের শেষে কেজরি বললেন, ‘এই জয় আপনাদের৷ মা, বোন. যুবকদের৷ দিল্লির প্রতিটি পরিবারের জয় এই জয়৷ শেষ পাঁচ বছরে আমরা চেষ্টা করেছি, কীভাবে দিল্লির প্রতিটি পরিবারে সমস্ত পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারি৷ সামনের পাঁচ বছরেও সেটাই করব৷’

শপথ অনুষ্ঠানে কেজরি প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন৷ প্রধানমন্ত্রী আসেননি৷ বারাণসীতে অন্য কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছেন৷ সেই কথা মনে করে কেজরিওয়াল বলেন, ‘ভোটের আগে কে কাকে কী বলেছে, সেসব ভুলে যান৷ আমি বিজেপি, কংগ্রেস, অন্য সব দলের মুখ্যমন্ত্রী৷ শপথ যখন নিয়েছি, তখন সবার হয়ে কাজ করব৷ গত পাঁচ বছরেও আমি রং দেখে উন্নয়নের কাজ করিনি৷ এবারেও করব না৷ জল, রাস্তা, উন্নয়ন সর্বত্র পৌঁছে যাবে৷ দিল্লির দু’কোটি মানুষকে বলব, আপনারা আমার পরিবারের অংশ৷ ধনী দরিদ্র, জাত পাত, ধর্ম না দেখে সবার কাজ করব, কোনও অসুবিধা হলে আমার কাছে আসুন৷ সব সমস্যার সমাধান করে দেব৷ আর একটা কথা, দল মত নির্বিশেষে আমি সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে চাই৷ বিরোধীরা আমাকে যা বলেছে, বলুক, আমি সবাইকে মাফ করে দিলাম৷ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ভুলে যাই চলুন, সবাই মিলে দিল্লির উন্নয়ন করি৷’ এদিন কেন্দ্রের উদ্দ্যেশেও বার্তা দেন কেজরিয়াল৷ বলেন, ‘কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করব৷ দিল্লিকে এক নম্বর শহর তৈরি করব৷ তাই আজ এই বিশেষ দিনে দিল্লির উন্নয়নের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সরকারে আশীর্বাদ চাই৷’ কেজরির ভোটের ইস্যু ছিল শুধুই উন্নয়ন৷ আর তাতেই এই বিপুল জনসমর্থন পেয়ে আপ্লুত তিনি৷ বললেন, ‘দিল্লিতে এক নতুন রাজনীতির জন্ম হয়েছে৷ স্কুল, রাস্তা, পানীয়. জল, বিদ্যুৎ, মহিলাদের সুরক্ষা, খাদ্য সুরক্ষার রাজনীতি শুরু করেছেন দিল্লিবাসী৷ দেশে এক নতুন রাজনীতির পরিসর তৈরির লড়াইয়ে জিতিয়ে দিয়েছেন দিল্লির মানুষ৷ আর তাঁদের তোলা এই আওয়াজে আজ দেশ কেঁপে উঠেছে৷ সারা দেশ থেকে খবর আসছে, কেউ মহল্লা ক্লিনিক শুরু করেছেন, কেউ ১০০, ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দিচ্ছেন৷ কোনও রাজ্যে নেতা মন্ত্রীরা যখন বলছেন, সরকারি স্কুল, হাসপাতালের তেমন উন্নয়ন সম্ভব নয়, তখন সাধারণ মানুষ বলছেন, দিল্লির দিকে দেখুন৷’
First published: February 16, 2020, 1:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर