corona virus btn
corona virus btn
Loading

চার্জশিটে নাম, পুলওয়ামায় জঙ্গিদের পথ দেখিয়েছিল সেই, নিট পরীক্ষায় বসতে মরিয়া ওয়াইজ

চার্জশিটে নাম, পুলওয়ামায় জঙ্গিদের পথ দেখিয়েছিল সেই, নিট পরীক্ষায় বসতে মরিয়া ওয়াইজ
পুলওয়ামার সেই অভিশপ্ত হামলার দিন, ফাইল চিত্র

অভিযোগ, পুলওয়ামা হামলার আগাগোড়া জানত সে। ই-কমার্স সাইট থেকে নিজের ঠিকানায় সে আনিয়েছে চার কিলো অ্যালুমিনিয়াম পাউডার, ব্যাটরি, গ্লাভস।

  • Share this:

#শ্রীনগর: পুলওয়ামার ঘটনায় চার্জশিটে জ্বলজ্বল করছে তার নাম। সেই ২০ বছর বয়সি কাশ্মীরি যুবক ওয়াইজ উল ইসলাম চাইছেন আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর নিট পরীক্ষায় বসতে চলেছে। জম্মু কাশ্মীরে এনআইএ-এর বিশেষ আদালতে বুধবার এই মর্মেই আবেদন জানিয়েছে সে। গত সপ্তাহে পুলওয়ামা ৪০ জন সিআরপিএফ-হত্যার ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে এনআইএ। সেখানেই ষড়যন্ত্রে জড়িত হিসেবে তার নাম উল্লেখিত হয়।

আগামিকাল অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর শুনানি ওয়াইজ উল ইসলামের মামলার। সূত্রের খবর, এনআইএ তার দরখাস্তের বিরোধিতা করবে। কারণ এনআইএ মনে করছে ওয়াইজ অক্ষরে অক্ষরে জইশ মডেল মেনে চলা একজন অপরাধী। পুলওয়ামা বিস্ফোরণের মালমশলা ই-কমার্স সাইট থেকে আনিয়েছিল সে-ই।

এক এনআইএ কর্তার কথায়, "এই অভিযুক্ত শ্রীনগরকে নিজের পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বেছেছে। সেখানে বহু ছাত্রই পরীক্ষা দিতে যাবে। ওয়াইজ উল ইসলাম যদি ফাঁকি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তবে অন্য ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না।

জইশ সংযোগ গড়ে ওঠার আগে ওয়াইজ উল ইসলাম ছিল বাঘ-ই-মেহেতাব এলাকার হাসিখুশি পাশের বাড়ির ছেলে। কৃতি এই ছাত্রকেই টার্গেট বানায় জইশ গোষ্ঠী। হঠাৎই বদলে যেতে থাকে তার আচরণ। অভিযোগ, পুলওয়ামা হামলার আগাগোড়া জানত সে। ই-কমার্স সাইট থেকে নিজের ঠিকানায় সে আনিয়েছে চার কিলো অ্যালুমিনিয়াম পাউডার, ব্যাটরি, গ্লাভস। যাতে কারো সন্দেহ না হয় তাই ওই 'গুডবয়' ইমেজকেই ব্যবহার করেছিল সে। এখানেই শেষ নয়, বাবা-মা হজে গেলে জৈশ কমান্ডর মহম্মদ ইসমাইল তথা সইফুল্লাকে পাশের বাড়িতে থাকার বন্দোবস্ত করে দেয় সে। এমনকি জৈশ কমান্ডারদের হামলার দিনে স্কুটারের করে পথও দেখিয়েছিল সেই।

ওয়াইজ উল ইসলামের বাবা একজন সরকারি চাকুরে। তার দুই দাদাও কৃতী ছাত্র। তার পরিবারের প্রতি এনআইএ-র সমবেদনা রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে দেশের সুরক্ষার প্রশ্নটি বড় হয়ে দাঁড়াচ্ছে, বলছেন এনআইএ কর্তারা।

Published by: Arka Deb
First published: September 2, 2020, 2:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर