'বিধায়কদের ক’টা অবৈধ সম্পর্ক আছে জানতে মনোগামি টেস্ট হোক', মন্ত্রীর দাবিতে বিতর্ক

'বিধায়কদের ক’টা অবৈধ সম্পর্ক আছে জানতে মনোগামি টেস্ট হোক', মন্ত্রীর দাবিতে বিতর্ক

কর্ণাটক বিধানসভাতেও এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

কর্ণাটক বিধানসভাতেও এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কর্ণাটকের ২২৫ জন বিধায়কের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তদন্তের দাবি তুললেন কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে সুধাকর। তিনি দাবি করেছেন, বিধায়কদের ক’টা অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে তা জানতে মনোগামি টেস্ট করা দরকার। তিনি নিজেও এই টেস্ট করাতে রাজি বলে জানিয়েছেন। সুধাকরের এমন দাবি ঘিরে কর্ণাটকের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্ণাটক বিধানসভাতেও এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। চাপের মুখে সুধাকর দাবি করেছেন, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তবে বিতর্ক কিছুতেই থামছে না।

    চলতি মাসে কর্ণাটকের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ জারকিহোলির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। চাপে পড়ে শেষমেশ পদ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরেই অভিযোগ ওঠে। রমেশ অবশ্য দাবি করেছিলেন, সেই ভিডিও ভুয়া। কিন্তু পারিপার্শ্বিক চাপে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর পরই সুধাকর সতীর্থের পিঠ বাঁচাতে মাঠে নামেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস এবং জেডি(এস)-এর বিরোধী দলের নেতারা নিজেদের চরিত্রবান বলে দাবি করেন। তা হলে ২২৫ বিধায়কের মনোগামি টেস্ট হোক। আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করছি। ক্ষমতা থাকলে এই টেস্ট করান। নিজেদের চরিত্রবান বলে প্রমাণ করুন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা সিদ্ধারামাইয়া, কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ডিকে শিবকুমার, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীকেও তিনি এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার আহ্বান জানান। এর পরই কর্ণাটকের রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    সুধাকরের বিরুদ্ধে কর্ণাটকের ছজন মন্ত্রী আদালতে অভিযোগ জানান। বিরোধী কংগ্রেস নেতারা নৈতিকতার প্রশ্ন তোলেন। এবং কর্ণাটকের একাধিক দফতরের মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। এর পর সুধাকর নিজের বক্তব্য থেকে সরে আসেন। তিনি পাল্টা বলেন, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যদিও সঠিক ব্যাখ্যা যে কী তা তিনি আর বলতে পারেননি। ফলে বিতর্কও থামছে না।

    Published by:Suman Majumder
    First published: