Horrifying: কী নৃশংস! স্ত্রী-৪ দুধের শিশুকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে খুন, ৬ জনের আর্ত চিৎকার নির্বিকারে শুনল বিকৃতমনস্ক...

Horrifying: কী নৃশংস! স্ত্রী-৪ দুধের শিশুকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে খুন, ৬ জনের আর্ত চিৎকার নির্বিকারে শুনল বিকৃতমনস্ক...

স্ত্রী-৪ দুধের শিশুকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে খুন। প্রতীকী ছবি।

ঘটনার পর থেকে পলাতক বিকৃতমনস্ক ওই ব্যক্তি। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরুঃ স্ত্রীর সঙ্গে নিত্য অশান্তি লেগেই থাকত। মারধর, গালিগালাজ কিছুই বাদ যেত না। কিন্তু তারপরেও এ ভাবে স্ত্রী-সহ দুধের সন্তানদের জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিতে পারে কেউ, তা অন্তত অনুমান করা যায়নি। তবে এমনটাই ঘটেছে কর্ণাটকের কোদাগু জেলাড় পুনমপেট থানার অন্তর্গত মুগাতাগেরি গ্রামে। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক বিকৃতমনস্ক ওই ব্যক্তি। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ইরাভারা বোজা (৫০) পেশায় মজুর। নিত্য মদ্যপান করত সে। আর তারপরে বাড়ি ফিরে স্ত্রী বেবির (৪০) সঙ্গে নানা বিষয়ে অশান্তি শুরু করত। ৭ এবং ৬ বছরের দুই পুত্র সন্তান থাকলেও, তাঁদের দিকে কোনও নজর ছিল না বোজার। কাজের পরে নেশায় চূড় হয়ে থাকত। এভাবেই কয়েক বছর সহ্য করলেও দিন কয়েক আগে অশান্তি চরমে ওঠে। সহ্য করতে না পেরে বেবি একই গ্রামে থাকা নিজের ভাইয়ের বাড়িতে চলে যান। তারপর সপ্তাহখানেক ধরে সেখানেই থাকছিলেন। কিন্তু, তা সহ্য হয়নি বোজার। রাগে অন্ধ হয়ে সে স্ত্রী এবং সন্তান-সহ শ্যালকের পরিবারের সকলকে খুনের পরিকল্পনা করে।

    ডেকান হেরাল্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী পুলিশকে বোজা জানিয়েছে, শনিবার রাত দু'টো নাগাদ সে শ্যালক মঞ্জুর বাড়িতে যায়। গভীর রাতে স্বাভাবিকভাবেই সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। ফলে তাঁকে গ্রামের কেউই সেভাবে দেখতে পায়নি। খুনের পরিকল্পনা সফল করতে বাড়ির ছাউনি থেকে টালি সরিয়ে সেখান তিনি বাড়ির মধ্যে পেট্রোল ছড়িয়ে দেয় সে। তারপর আগুন ধরিয়ে দেয়। নিমেষের মধ্যে আগুনের গ্রাসে চলে যায় গোটা ঘর, যে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন বেবি,বেবির এক কাকিমা এরাভারা সেথি (৪৫), মঞ্জুর দুই দুধের সন্তান বিশ্বাস (৭) এবং প্রকাশ (৬), এক আত্মীয়ের মেয়ে প্রার্থনা (৬) এবং আরও এক আত্মীয়ের ছেলে বিশ্বাস (৬)।

    অগ্নিকাণ্ডের জেরে  দগ্ধ হয়েছেন আরও চারজন। তাঁদের মাঝারি থেকে গুরুতর অবস্থা। অগ্নিদগ্ধদের ছিকিতসা চলছে মাইসোরের মাদিকেরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:
    0