• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ২ মাসের মধ্যেই দিল্লিতে ঝাঁ চকচকে রেস্তোরাঁ খুললেন ‘বাবা কা ধাবা’র সেই বৃদ্ধ

২ মাসের মধ্যেই দিল্লিতে ঝাঁ চকচকে রেস্তোরাঁ খুললেন ‘বাবা কা ধাবা’র সেই বৃদ্ধ

দীর্ঘ লকডাউনের কারণে সে সময় দু’বেলা খেতে পেতেন না কান্তা ও তাঁর স্ত্রী বাদামী দেবী । ‘বাবা কা ধাবা’ নামে ছোট্ট একটি গুমটি দোকান ছিল তাঁদের ।

দীর্ঘ লকডাউনের কারণে সে সময় দু’বেলা খেতে পেতেন না কান্তা ও তাঁর স্ত্রী বাদামী দেবী । ‘বাবা কা ধাবা’ নামে ছোট্ট একটি গুমটি দোকান ছিল তাঁদের ।

দীর্ঘ লকডাউনের কারণে সে সময় দু’বেলা খেতে পেতেন না কান্তা ও তাঁর স্ত্রী বাদামী দেবী । ‘বাবা কা ধাবা’ নামে ছোট্ট একটি গুমটি দোকান ছিল তাঁদের ।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভাগ্য দেবতা কখন যে কার উপর তাঁর কৃপা দৃষ্টি রাখবেন তা আগে থেকে বলা বেশ শক্ত । তা না হলে কি আর মাত্র ২ মাসেই এমন চকচকে কপাল নিয়ে ঝাঁ চকচকে একটি রেস্তোরাঁর মালিক হতে পারতেন কান্তা প্রসাদ?

    মনে আছে সেই কান্তা প্রসাদের কথা? অক্টোবর মাসের আগে পর্যন্ত অবশ্য তাঁকে কেউ চিনত না । তারপর একদিন হঠাৎই ঘটে এক মিরাক্যাল । গোটা দেশে জনপ্রিয় হয়ে যান কান্তা । সৌজন্যে একটাই শব্দ- ‘ভাইরাল’ । আর তার জেরেই ঝরঝরে গুমটি দোকান ‘বাবা কা ধাবা’র মালিক কান্তা প্রসাদ এখন দিল্লির মালব্য নগরের ধোপদুরস্ত এক রেস্তোরাঁর মালিক । ৮০ বছরের কান্তা এখন সকলকে অনুরোধ করছেন তাঁর নতুন রেস্তোরাঁয় আসতে এবং এখানকার ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ ফুড চেখে দেখতে ।

    ঘটনার সূত্রপাত অক্টোবর মাসে । দীর্ঘ লকডাউনের কারণে সে সময় দু’বেলা খেতে পেতেন না কান্তা ও তাঁর স্ত্রী বাদামী দেবী । ‘বাবা কা ধাবা’ নামে ছোট্ট একটি গুমটি দোকান ছিল তাঁদের । মটর পনীর, ডাল বিক্রি করতেন তাঁরা । কিন্তু প্রতিদিন সেই খাবার নষ্ট হত । একজন ক্রেতাও আসতেন না তাঁদের দোকানে । সমস্ত পুঁজি শেষ হয়ে গিয়েছিল । রোজই চোখের জল মুছতেন কান্তা আর বাদামী ।

    মোড় ঘোরে একটা ভিডিওতে । ফুড ব্লগার গৌরব ওয়াসন ‘বাবা কা ধাবা’ নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে । সেখানে কান্তা আর বাদামীর দুর্দশা সকলের চোখে পড়ে । মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি । পরের দিন সকাল থেকে ‘বাবা কা ধাবা’র সামনে ক্রেতাদের লাইন পড়ে যায় । বিপুল বিক্রি বেড়ে যায় কান্তার । আর তারপরেই বদলে যায় তাঁদের ভাগ্য । আজ ঝাঁ চকচকে এক রেস্তোরাঁর মালিক কান্তা আর বাদামী ।

    Published by:Simli Raha
    First published: