corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোবর রাখা নিয়ে গন্ডগোল, বাড়িতে ঢুকে সাংবাদিক ও তাঁর ভাইকে গুলি করে খুন!

গোবর রাখা নিয়ে গন্ডগোল, বাড়িতে ঢুকে সাংবাদিক ও তাঁর ভাইকে গুলি করে খুন!
হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন আশিসের মা ও সন্তানসম্ভবা স্ত্রী। ছবি: সংবাদসংস্থা
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: উত্তরপ্রদেশের নামী দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক আশিস জানওয়ানি ও তাঁর ভাইকে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করল একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিল এলাকার মাফিয়ারা ৷ মদ মাফিয়া চক্রের সঙ্গে বিরোধের জেরেই সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের ৷

পুলিস সূত্রে খবর, এদিন এক দল দুষ্কৃতীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন আশিস ও তাঁর ভাই। এর পর আচমকাই তাঁদের দুজনকে গুলি করে পালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আশিসের ভাইয়ের। হাসপাতালে চিকিত্সা চলাকালীন মৃত্যু হয় আশিসের।

এই ঘটনার পরেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশের গাফিলতির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তাঁদের। এদিকে এই ঘটনার পর তদন্তের নির্দেশ না দিয়ে মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছেন উত্তরপ্রদেশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল উপেন্দ্র আগরওয়াল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বহুল পরিচিত একটি হিন্দি খবরের কাগজে কাজ করতেন আশিস জানওয়ানি। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় মদ মাফিয়াদের সঙ্গে গন্ডগোল চলছিল। তাদের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশ করার জন্য আশিসকে হুমকি দিচ্ছিল। বিষয়টি পুলিশকে বারবার জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি এক প্রতিবেশী মহিপালের সঙ্গেও বাড়ির পাশে গোবর রাখা নিয়ে গন্ডগোল চলছিল। বেশ কয়েকবার বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ঝামেলাও হয়। এই দুটি ঘটনার জেরেই নাকি বাড়িতে ঢুকে আশিস ও তাঁর ভাইকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থানেই মৃ্ত্যু হয় আশুতোষের। আর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মারা যান আশিস। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জেরা করছে পুলিশ।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোবর রাখা নিয়ে গন্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের প্রতিবেশী মহিপাল বাড়িতে ঢুকে গুলি করে খুন করেছে আশিস এবং আশুতোষকে। আশিস পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবার কী করে চলবে তা নিয়েই চিন্তা হচ্ছে।

First published: August 18, 2019, 6:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर