Home /News /national /
একাধিক ভূমিকম্পে জেরবার!‌ মিজোরামে এই গ্রামের মানুষেরা আতঙ্কে থাকছেন তাঁবুতে

একাধিক ভূমিকম্পে জেরবার!‌ মিজোরামে এই গ্রামের মানুষেরা আতঙ্কে থাকছেন তাঁবুতে

সরকারি হিসাব অনুসারে জুন মাসের ১৮ তারিখের পর থেকে চম্ফাই, সাইতুয়াল, সিয়াহা ও সেরচিপ গ্রামে পরপর ২২টি আলাদা আলাদা কম্পন হয়েছে।

  • Share this:

    #‌চম্ফাই:‌ উত্তর ভারতের একাধিক অংশে একের পর এক ভূমিকম্প শেষ সপ্তাহ ধরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতেও একাধিক ভূমিকম্প হয়েছে। তেমন বড় ক্ষয়ক্ষতি না হলেও মিজোরামে পরপর ভূমিকম্পে আতঙ্কে রয়েছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। তাই পরপর ভূমিকম্পের আতঙ্কে তাঁরা এখন নিজের বাড়ি ছেড়ে স্থান করে নিয়েছেন তাঁবুতে। সেখানেই থাকছেন। যাতে ভূমিকম্প এলেও বাড়ি ভেঙে পড়ে মৃত্যু না হয়।

    সরকারি হিসাব অনুসারে জুন মাসের ১৮ তারিখের পর থেকে চম্ফাই, সাইতুয়াল, সিয়াহা ও সেরচিপ গ্রামে পরপর ২২টি আলাদা আলাদা কম্পন হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.‌২ থেকে ৫.‌৫ পর্যন্ত। এর মধ্যে চম্ফাইতেই সবচেয়ে বেশিবার ভূমিকম্প হয়েছে। সামান্য যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাও এই জেলাতেই। কোথাও বাড়ি ভেঙে গিয়েছে সামান্য, কোথাও বাড়িতে দেখা দিয়েছে বড় ফাটল। তাই ঝুঁকি না নিয়ে আবাসিকরা উঠে এসেছেন তাঁবুতে। এই জেলার ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছে, অনেকের জন্যই এই তাঁবুর ব্যবস্থা করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সেখানে ত্রিপল, জলের বড় পাত্র, সোলার ল্যাম্প, চিকিৎসার প্রাথমিক ওষুধ পত্রও দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন অনেক মিজোরামের মানুষই ঠিকানা বদলে জায়গা করে নিয়েছেন তাঁবুতে।

    তিনি জানিয়েছে, ২২টি ভূমিকম্পের মধ্যে ২০টি চম্ফাই জেলাকে আঘাত করেছে। এই কারণে এখনও ১৬ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছে। নষ্ট হয়েছে প্রায় ১৭০টি বাড়ি। পাঁচটি আলাদা আলাদা ক্যাম্প তৈরি হয়েছে এই গৃহহীনদের জন্য। তাঁদের দু’‌বেলা খাবার পৌঁছে দিচ্ছে সরকারই। শুধু তাই নয়, এখানেও মানা হচ্ছে করোনা স্বাস্থ্যবিধি। এই সপ্তাহেই মিজোরাম সরকারের পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসকের দল পাঠানো হয়েছে উপদ্রুত জেলায়। সেখানকার মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষার তাগিদে। তাঁরা সেই আশ্রয় শিবিরের মানুষদের পরীক্ষা করে দেখছেন। সাহায্য নেওয়া হচ্ছে মনোবিদদেরও। কারণ, অনেকেই ভূমিকম্পের আতঙ্কে এখনও আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে রয়েছেন। তাঁদের ভয় কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা দরকার বলেই লড়াই চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published:

    Tags: Earthquake, Mizoram

    পরবর্তী খবর