• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • চাঁদের গায়ে মরচে! অক্সিজেন কোথা থেকে এল! শোরগোল ফেলে দিল চন্দ্রযান-১

চাঁদের গায়ে মরচে! অক্সিজেন কোথা থেকে এল! শোরগোল ফেলে দিল চন্দ্রযান-১

প্রতীকী চিত্র

প্রতীকী চিত্র

তাহলে কি বেশ কয়েক হাজার বছর আগে চাঁদে অক্সিজেনের উপস্থিতি ছিল? নাকি এখনও কোথাও লুকিয়ে রয়েছে অক্সিজেন!

  • Share this:

    প্রতিদিন মরচে পড়ছে চাঁদে। আকস্মিকের খেলা নয়। এই ঘটনা ঘটে চলেছে হাজার হাজার বছর ধরে।

    সম্প্রতি ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর চন্দ্রযান ১-এর পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করেই এই তথ্য মিলেছে। দিনের পর দিন ছবিগুলি বিশ্লেষণ করে সিদ্দান্তে উপনীত হয়েছেন হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শুয়াই লি ও তাঁর দলবল। তাঁরা দেখাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে চাঁদে মরচে পড়ছে। কিন্তু এই সংবাদ জন্ম দিচ্ছে অন্য একটা প্রশ্নের।

    মরচে পড়তে লোহার গায়ে অক্সিজনে ও জলের উপস্থিতি লাগে। চাঁদ যদি বায়ুশূণ্যই হয় তা হলে অক্সিজেন কোথা থেকে এল! তাহলে কি বেশ কয়েক হাজার বছর আগে চাঁদে অক্সিজেনের উপস্থিতি ছিল? নাকি এখনও কোথাও লুকিয়ে রয়েছে অক্সিজেন!

    তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখাচ্ছেন হিমামাইট নামক এই অক্সাইড যৌগ চাঁদের দুপিঠেই রয়েছে। বিজ্ঞানীদের একাংশে বিশ্লেষণ অবশ্য এই মরচের জন্য দায়ী পৃথিবীই। পৃথিবীর অক্সিজেনই কিছুটা পৌঁছে যায় চাঁদে। এবং কয়েক কোটি বছর আগে চাঁদ আমাদের আরও কাছে থাকার দরুণ সেই অক্সিজেন আরও বেশি পরিমাণে পৌঁছেছিল, তাইই সৃষ্টি করেছে হিমামাইট।

    বিজ্ঞানীরা বলছেন চাঁদের দুই মেরুতে যেখানে জল রয়েছে বলে অনুমান, তার থেকে অনেক দূরে অবস্থান এই মরচের। এক্ষেত্রেও প্রশ্ন কী ভাবে সম্ভব। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন সম্ভব, কারণ চাঁদে যে ধূলিকনা রয়েছে তা আগেই দেখা গিয়েছে। সেই ধুলোর পিঠে চেপেই লোহার কাছাকাছি পৌঁছেছে জলকনা। বিজ্ঞানীরা আরও জানাচ্ছেন এই অক্সিডেশান সবচেয়ে বেশি হয় পূর্ণিমার দিনগুলিতে। কারণ সেইদিন সৌরবায়ুর হাইড্রোজেনের উপস্থিতি থাকে না।

    Published by:Arka Deb
    First published: