corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভারতীয় রেলেও পাক গুপ্তচর! ফাঁদ পেতে দূতাবাসের তিন কর্মীকে ধরলেন গোয়েন্দারা

ভারতীয় রেলেও পাক গুপ্তচর! ফাঁদ পেতে দূতাবাসের তিন কর্মীকে ধরলেন গোয়েন্দারা
প্রতীকী চিত্র৷

সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগ এবং স্পেশাল সেলের অফিসাররা গত মাস থেকেই পাকিস্তানের দূতাবাসের দুই আধিকারিক এবং তাঁদের চালকের উপরে নজর রাখছিলেন৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: রবিবারই নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানের দূতাবাসের দুই কর্তাকে চরবৃত্তির অভিযোগে বহিষ্কার করেছিল ভারত৷ এবার সামনে এলো আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ জানা গিয়েছে, ভারতীয় রেলেও ছড়িয়ে রয়েছে পাকিস্তানের গুপ্তচর৷ এই অভিযোগে কয়েকজন রেলকর্মীকে ইতিমধ্যে চিহ্নিতও করে ফেলেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা৷ সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগ, আইবি এবং স্পেশাল সেল ইতিমধ্যেই ওই কর্মীদের উপরে নজরদারি চালাচ্ছে৷ সোমবারই তিন থেকে চারজন রেলকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে৷ পাকিস্তানের চরদের সঙ্গে এই রেলকর্মীদের কতটা যোগাযোগ রয়েছে, তাদের কাছ থেকে কী কী নথি বা তথ্য নেওয়া হয়েছে, কতবার উভয়পক্ষের দেখা হয়েছে, সন্দেহভাজন রেলকর্মীদের জেরা করে এই সমস্ত তথ্য জানার চেষ্টা করবেন গোয়েন্দারা৷

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সন্দেহভাজন এই কর্মীরা রেলের Movement Department-এর সঙ্গে যুক্ত৷ সেনাবাহিনীর জওয়ানদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখাশোনা করে এই রেলের এই বিভাগ৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ইতিমধ্যেই এই গুপ্তচরদের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে বেশ কিছু তথ্য হাতে পেয়েছে৷ তারা দেশের কোথায় কোথায় গিয়েছে, সেই তথ্যও গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে৷ এই চক্রকে খুঁজে বের করতে অবশ্য যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে গোয়েন্দাদের৷

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সূত্রের খবর, পাকিস্তানের দূতাবাসে ভিসার জন্য যাঁরা আবেদন করতেন, তাঁদের আধার কার্ড সহ যাবতীয় নথির অপব্যবহার করা হতো৷ পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর নির্দেশ মতোই দূতাবাসের দুই কর্তা এবং তাঁদের গাড়ির চালক সেই সমস্ত নথি কাজে লাগিয়ে ভুয়ো নামে সিম কার্ড তুলতেন৷ এর পর ভারতীয় সেনার নিচুতলার কর্মী এবং আধিকারিকদের নিজেদের জালে ফাঁসানোর চেষ্টা করত এই তিন অভিযুক্ত৷

সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগ এবং স্পেশাল সেলের অফিসাররা গত মাস থেকেই পাকিস্তানের দূতাবাসের দুই আধিকারিক এবং তাঁদের চালকের উপরে নজর রাখছিলেন৷ রবিবার সন্ধ্যায় করোল বাগ এলাকায় নিরাপত্তা সংস্থার এক আধিকারিক নিচুতলার সেনাকর্মী সেজে আবিদ এবং তাহির নামে দুই পাক চরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে ঠিক হয়৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনার ভেক ধরে থাকা ওই নিরাপত্তা আধিকারিক নিজের জন্য একটি স্মার্টফোন এবং ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন৷ এই টাকা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান হাই কমিশনের গাড়ি নিয়ে আবিদ এবং তাহির চালক জাভেদের সঙ্গে করোল বাগে পৌঁছয়৷ তখনই হাতেনাতে তিনজনকে ধরে ফেলেন স্পেশাল সেলের অফিসাররা৷ বাজেয়াপ্ত করা হয় নগদ এবং মোবাইল ফোন৷

জানা গিয়েছে, সেনা সেজে থাকা ওই নিরাপত্তা আধিকারিকের কাছ থেকে ভারতীয় সেনার ব্যবহৃত অস্ত্রের নকশা এবং কোন এলাকায় সেনা মোতায়েন রয়েছে তার গোপন খবর জানতে চেয়েছিল ওই তিন পাক নাগরিক৷ এর পরই তাদেরকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতেন গোয়েন্দারা৷ সেই ফাঁদে পাক হাইকমিশনের দুই কর্তা এবং তাদের চালক পা দিতেই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 1, 2020, 2:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर