corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্কুল ফি মেটাতে মেধাবী ছাত্রীর মোবাইল চুরি! সহজেই চোর ধরলেন 'প্রাইভেট ডিটেকটিভ', তারপর...

স্কুল ফি মেটাতে মেধাবী ছাত্রীর মোবাইল চুরি! সহজেই চোর ধরলেন 'প্রাইভেট ডিটেকটিভ', তারপর...
প্রতীকী ছবি

টাকার অভাবে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে, তা মন থেকে মেনে নিতে পারছিল না। তাই স্কুল ফি মেটানোর আশায় বাধ্য হয়েই একটি দামি মোবাইল চুরি করে।

  • Share this:

#ইনদওর: একাদশ শ্রেণিতে ৭১ শতাংশ নম্বর পেয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠে বছর ১৬-র কিশোরী। কিন্তু নতুন ক্লাসে ভর্তি হওয়ার টাকা জোগার হয়নি। টাকার অভাবে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে, তা মন থেকে মেনে নিতে পারছিল না। তাই  স্কুল ফি মেটানোর আশায় বাধ্য হয়েই একটি দামি মোবাইল চুরি করে। তবে ঘটনাচক্রে  ফোনের মালিক একজন 'প্রাইভেট ডিটেকটিভ'।

দিন আনা দিন খাওয়া ঘরের ওই কিশোরীর পরিবারে রয়েছে তিন ভাইবোন, বাবা এবং মা। দুবেলা যেখানে পেট ভরে খাওয়াই জোটে না রোজ। সেখানে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া বিলাসিতা। তাও স্বপ্ন দেখত কিশোরী। শত প্রতিবন্ধকতা নিয়ে ভাল ফল করত পরীক্ষায়। কিন্তু এবারে পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়। লকডাউনে আর্থিক অনটন আরও চরমে ওঠে। ফলে স্কুলে টাকা দেওয়া কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছিল না। তাই সে ফোন চুরির সিদ্ধান্ত নেয়।

ধীরজ দুবে ফোনের মালিক। পেশায় প্রাইভেট ডিটেকটিভ ধীরজের নিজের একটি ডিটেকটিভ এজেন্সি রয়েছে। তিনি বলেন, 'গত ২ অগাস্ট আমার মোবাইল ফোনটি চুরি যায়। ফোনটা বেশ দামী। দ্বারকাপুরী পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ জানাই। কিন্তু কয়েকদিন কেটে গেলেও পুলিশ তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। আমি তাই নিজেই তদন্ত শুরু করি।'

তিনি বলেন, ফোন চুরি যাওয়ার দিন কোথায় কোথায় গিয়েছিলাম, তা ভাবতে বসলে তিনি নিশ্চিত হন ফোন তাঁর বাড়ি থেকেই খোয়া গিয়েছে। তখনই তাঁর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীটির ওপর সন্দেহ হয়। কিন্তু কেন সে এই কাজ করল? তা জানতে ধীরজ আলাদা করে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলেন।

ভীত সন্ত্রস্ত কিশোরী ধীরজকে জানায় ফোনটি সে বন্ধক রেখে ২৫০০ টাকা পেয়েছে। তার মধ্যে ১৬০০ টাকা দিয়ে স্কুলের ফি মিটিয়েছে। প্রমাণস্বরূপ স্কুলের রসিদও দেখায় সে। এমনকি চাকরি পেয়ে ফোনটি সে ছাড়িয়ে তাঁকে ফিরিয়ে দেবে বলেও জানায়। তবে  এই ঘটনা জানার পর পুলিশের কাছে যাননি ধীরজ। ছাত্রীটির সারা বছরের স্কুলের ফি নিজেই মিটিয়ে দিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়। ধীরজের কাছে ওই ছাত্রীর কথা শুনে তাঁকে সাহায্যে এগিয়ে আসেন এলাকার এক শিক্ষক এবং এক চিকিত্‍সক। মেয়েটির সারা জীবনের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁরা।

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 8, 2020, 6:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर