corona virus btn
corona virus btn
Loading

নতুন কোনও পোস্ট গঠন নয়, প্যাসেঞ্জার রিজারভেশন কাউন্টার কমছে, খরচে রাশ টানার আবেদন রেলের 

নতুন কোনও পোস্ট গঠন নয়, প্যাসেঞ্জার রিজারভেশন কাউন্টার কমছে, খরচে রাশ টানার আবেদন রেলের 
Photo- Representative

ভারতীয় রেলের অপারেটিং রেশিও হাল অত্যন্ত খারাপ। তার মধ্যে করোনা পরিস্থিতিতে পণ্যবাহী ট্রেন চালালেও আয় সেভাবে করে উঠতে পারা যায়নি। ফলে রেলের বিপুল সংখ্যক কর্মীদের মাসিক বেতন সহ পরিকাঠামোগত খরচ তুলতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে ভারতীয় রেলকে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সবার আগে খরচ কমাতে হবে!  খরচ কমাতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে রেলের জেনারেল ম্যানেজার সহ ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার এবং বাকিদের। ভারতীয় রেলের ফিনান্সিয়াল কমিশনার মঞ্জুলা রঙ্গারাজন চার পাতা চিঠি দিয়ে তা জানিয়ে দিলেন। মুলত ৫টি বিষয়ের ওপরে বেশ কতকগুলি ইস্যু নজরে আনা হয়েছে। তবে চিঠির ছত্রে ছত্রে উল্লেখ করা হয়েছে আয় কমেছে, তাই ব্যয় কমাও। খরচে রাশ টানো।

ভারতীয়  রেলের অপারেটিং রেশিও হাল অত্যন্ত খারাপ। তার মধ্যে করোনা পরিস্থিতিতে পণ্যবাহী ট্রেন চালালেও আয় সেভাবে করে উঠতে পারা যায়নি। ফলে রেলের বিপুল সংখ্যক কর্মীদের মাসিক বেতন সহ পরিকাঠামোগত খরচ তুলতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে ভারতীয় রেলকে। তাই রেলের ফিনান্সিয়াল কমিশনারের পাঠানো এই চিঠি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত রেল আধিকারিকদের। চিঠির বিষয়বস্তু যদিও পরিকল্পনা করা বা অ্যাকশন প্ল্যান বানানো খরচ কমিয়ে আয় বাড়ানোর। যে যে বিষয়গুলি চিঠিতে উঠে এসেছে, রেলের টিকিট বুকিংয়ের জন্যে প্যাসেঞ্জার রিজারভেশন কাউন্টার কমাতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে অনলাইনে জোর দিতে বলা হয়েছে। এখানে যে সমস্ত কর্মীরা ছিলেন তাদের অন্যত্র ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

যে সমস্ত কর্মীদের পুনঃনিয়োগ করা হয়েছে তাদের কাজ নিয়ে ফের বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। কোনও নতুন পোস্ট গঠন করতে বারণ করা হয়েছে। দুরপাল্লার ট্রেনে যারা অন বোর্ডের হাউজ কিপিংয়ের কাজ করেন সেখানে খরচ কমাতে বলা হয়েছে।বিশেষত, বেসরকারি সংস্থা দিয়ে আপাতত এই কাজ করানো হয়। লিনেন ম্যানেজমেন্ট যারা করেন তাদের জন্যেও একই ভাবনাচিন্তা। স্টেশন পরিষ্কার জন্য যে কর্মীরা রয়েছেন, লিফট ও এসক্যালেটর যে সব কর্মীরা রয়েছেন এমনকি স্টেশনে ঘোষক হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের নিয়ে রিভিউ করতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, একাধিক বেসরকারি সংস্থা থেকে এই সমস্ত কাজের জন্য নিয়োগ করা হয়। অপরদিকে, ৩১ বছরের পুরনো ডিজেল লোকো বসাতে বলা হয়েছে বা বিক্রি করতে বলা হয়েছে। ফ্যান্সি আইটেম কেনা যাবে না। রেলওয়ে কলোনি সহ বিভিন্ন জায়গায় যারা ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট করেন সেখানে আর পি এফ যে সংখ্যায় আছে তাদের দিয়ে সেটা রিভিউ করতে বলা হয়েছে। প্রতিবছর জেনারেল ম্যানেজার পরিদর্শন করতে যাওয়ার সময় প্রচুর স্টাফ যায়। সেটা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ই-অফিস, ই-ডাক, ভিডিও কনফারেন্স মিটিংয়ে, সিকিউরড ই-মেলে জোর দিতে বলা হয়েছে। ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারকে গাড়ি কমাতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট জেনারেল ম্যানেজারকে দিতে হবে। জেনারেল ম্যানেজার সেটা দেবেন রেল মন্ত্রককে।

এছাড়া নতুন আসবাব, গাড়ি, কম্পিউটার, প্রিন্টার অফিসে নিতে বারণ করা হয়েছে। অনলাইনে সারতে হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। নগদ পুরষ্কার সেফটি, নিরাপত্তা জনিত কাজ আর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে বিভিন্ন সময় বিনোদন, পাবলিসিটি, ট্রাভেল, মিটিং কমাতে বলা হয়েছে  আধিকারিকদের। এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় উঠে এসেছে চিঠিতে। এখন এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন জেনারেল ম্যানেজার সহ বাকি আধিকারিকরা কী ব্যবস্থা নেন সেটাই দেখার।

Abir Ghosal

Published by: Elina Datta
First published: June 21, 2020, 2:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर